বিধবা বিবাহ করতে চান?- Phone Number Widows for Second Marriage in Bengali

বিধবা বিবাহে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এই লেখার মাধ্যমে বিধবাদের ফোন নম্বর(Phone Number Widows for Second Marriage) কিভাবে পাবেন বা কোন ম্যাট্রিমনি সাইটে(Second Marriage Matrimony Site) গেলে আপনার পুনরায় নতুন জীবনের আলোর সন্ধান পাবেন তার সহজ সরল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। সাথে আছে 14 টি সাইটের পরিচয়, সেখানে সহজে আপনি আপনার প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন এবং পাবেন আপনার সঙ্গীর পরিচয়। পুরো লেখাটি পড়ুন। আশা করা যায় আপনি লাভবান হবেন। সঙ্গে থাকুন।

ভারতে দ্বিতীয় বিবাহ(Second Marriage in India) খুব একটা সুদৃষ্টিতে দেখা হয় না। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য দ্বিতীয় বিবাহ(Second Marriage for Girl) তো মনের মধ্যে একেবারেই আনা হয় না। সমস্ত বাধা পেরিয়ে যদিও দ্বিতীয়বার বিবাহ দেওয়া হয়, সেই দ্বিতীয় বিবাহ মহিলাকে(Second Marriage Girl) সুনজরে দেখার অভ্যাস আমাদের নেই, তা সে ডিভোর্সি হোক আর বিধবা হোক। ডিভোর্সি ক্ষেত্রে তিনি যদি স্বাবলম্বী হন, তাহলে দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা হয়তো ভাবেন। কিন্ত বিধবা বিবাহ(Widow Remarriage) আমাদের সমাজ কতটা মেনে নিতে পেরেছে? আইন যতই থাকুক, সামাজিক বৈধতা এখনো পর্যন্ত সেই তিমিরেই।

সমাজে একটি পরিবারে মেয়ে জন্ম হওয়াটা কেউ ভালো ভাবে নেয় না। ছেলে হলে পরিবার খুশির সীমা থাকে না। আর মেয়ে হলে সবার মুখের হাসি কোথায় চলে যায়। মেয়ে যত বড় হয় বাবা-মা’র যেন গলার কাঁটা হয়ে ওঠে। বিয়ে দিয়ে বিদায় করলে তারা বাঁচে।

Phone Number Widows for Second Marriage

কোনো দ্বন্দ্ব নয়, নিচের ঘটনাগুলো পড়ুন।

মহিলাদের দ্বিতীয় বিবাহ (Second Marriage for Girl)-

কমলার এমনই দশা, বয়স হতে না হতেই কমলার বিয়ে দিয়ে দিল তার বাবা-মা। বিয়ের বছর ঘুরতে না ঘুরতে কমলা মা হল। বাড়িতে খুশির জোয়ার। কিন্তু হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় মারা গেল কমলার স্বামী। শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার কোন দায়িত্ব নিতে চায় না। অগত্যা কমলাকে ছেলের হাত ধরে ভাইয়ের সংসারে ঢুকতে হলো।

সবে কমলার 20 বছর বয়স। সারা জীবন পড়ে আছে। কিন্তু কমলার বাবা-মা এ বিষয়ে কোনো চিন্তা নেই। যদি বেঁচে থাকতে কমলার বাবা-মা তার আবার বিয়ে দিয়ে নতুন জীবন ও সংসার দিয়ে যেত আজ তার এই দুর্গতি হতো না। ছেলে নিয়ে, দিনরাত ভাই আর ভাইয়ের বউয়ের গালাগাল খেয়ে  সংসারের খেটে খেটে দিন কাটছে তার। কিন্তু মেয়ের জন্য দ্বিতীয় বিবাহ(Second Marriage for Girl) নিয়ে কারোর মুখে কোন কথাই নেই। উৎসাহ তো দূরের কথা।

মিতার গ্র্যাজুয়েশন শেষ হবার পর তার বাবা ছেলে দেখা শুরু করে। মিতারা দু বোন। দুজন প্রায় দু বছরের ছোট-বড়। বাবা চায় মিতার বিয়ে তাড়াতাড়ি দিতে। এরপর যে তার বোন আছে তাকেও তো পার করতে হবে। মিতা সুন্দরী ছিল, তাই বেশি দেখাশোনা করা দরকার হয়নি। বাড়ি থেকে 6 কিলোমিটার দূরে মিতার বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। মিতার স্বামীর একটা স্টেশনারি দোকান আছে। কিন্তু হায়রে ভাগ্য হৃদরোগে মৃত্যু হয় তার স্বামীর। তখন মিতা অন্তঃসত্ত্বা। শ্বশুর, শ্বাশুড়ি, ভাসুর, জায়েরা তার পাশে দাঁড়ালো না। মিতা বাবা-মায়ের সাহায্যে শারীরিক ও মানসিক ক্ষত বিক্ষত অবস্থা অনেক টানাপোড়েন পেরিয়ে আসার চেষ্টা করে। মিতা জন্ম দিল ছেলের। এরপর মিতা ধীরে ধীরে স্বামীর দোকান চালাতে শুরু করলো শিশুকে নিয়ে।

একটু একটু করে দোকানটা মিতা বড় করেছে। বাবা-মায়ের সাহায্য, ছেলেকেও তার সাথে পড়াশোনা করাচ্ছে। তার বাবা-মা একটু চেষ্টা করলে মিতা ও তার ছেলে জীবনটা বদলে যেতে পারতো। মিতার আবার বিয়ে দিয়ে তাকে নতুন জীবন দেওয়া কঠিন কাজ ছিল কী?।

মিতা তো মাত্র সাত মাস স্বামীর সাথে সংসার করেছে। তার চাওয়া পাওয়া সব অসমাপ্ত থেকে গেছে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা বা তার স্মৃতিকে নিয়ে বেঁচে থাকার জায়গাটাও মিতার তৈরি হয়নি।

আজ তার স্বামীর সাথে কাটানো দিনগুলো ভালো করে মনে পড়ে না। সবে ত্রিশ বছর বয়স। একা পথ চলা খুব কঠিন। একজনকে প্রয়োজন হয়।                

জীবনে ভালো লাগার জায়গাটা থেকেই যায়। সেই জায়গাটা একদম ফাঁকা। তাছাড়া মানসিক চাহিদা বা শারীরিক চাহিদাও তো থাকে। এই বয়সে যেটা স্বাভাবিক। এবং সেটা তো সহজাত। বিধবা নাম নিয়ে এইসব জীবন কেন বেঁচে থাকবে? কিন্তু ভারতীয় সমাজ বিধবা বিবাহ(Widow Remarriage) ও মহিলাদের দ্বিতীয় বিবাহকে(Girls’ Second Marriage in India) কোনো দিনও স্বতঃস্ফূর্তভাবে মেনে নেয়নি।

Widow Remarriage from the time of Vidyasagar-

বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বিধবার পুনঃবিবাহ(Widow Remarriage) সম্পর্কে কম-বেশি সবাই কিছু না কিছু জানেন। সমাজ সংস্কার করতে বিধবা বিবাহ(Widow Remarriage) প্রচলন করতে বিদ্যাসাগর মহাশয়কে কতই না সংগ্রাম করতে হয়েছিল। পুরো সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে আইন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তার অবদানকে আমরা প্রণাম করি। কিন্তু সেই আইন বা সেই আইনের প্রচলনকে সমাজের স্রোতের সঙ্গে মেলাতে দ্বিধাবোধ করি। এ আমাদের দ্বিমুখী ভন্ডামি আচরণ।

যদিও কুলীন ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় বর্তমান স্ত্রীর বেঁচে থাকা অবস্থাতেই শুধু একবার নয় বহুবার, অন্তত দ্বিতীয় বিবাহ(many at least second marriage in India) করতে পারতেন। শুধু পারতেন নয় করতেন। ভারতবর্ষে কুলীন ব্রাহ্মণ সমাজের মধ্যে তাই দ্বিতীয় বিবাহ(second marriage in India) এমন কোন গর্হিত কাজ ছিল না। যদিও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে স্ত্রী বা স্বামী বেঁচে থাকা অবস্থাতে দ্বিতীয়বার বিবাহ অনেকেরই দৃষ্টিকটু বিষয় ছিল। তথাপি ভারতীয় কুলীন থেকে অন্যান্য সম্প্রদায়ের পুরুষদের মধ্যে দ্বিতীয় বিবাহ দীর্ঘকালীন পুরনো প্রথা হিসেবে বিবেচ্য ছিল।

Some Family things Regarding Second Marriage for girl-

সেই হিসেবে সমাজে কোথাও না কোথাও বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে সংকীর্ণতা রয়েই গেছে। খুব কম পরিবার আছে, বলতে গেলে গোনাগুনতি পরিবার, যারা বিধবা মেয়ে বা বিধবা বৌমা দের কথা ভেবে তাদের নতুন পরিবার খোঁজার প্রয়াস চালায়। তবে এগুলো ব্যতিক্রমী উদাহরণ। সমাজের সামগ্রিক চিত্র হিসাবে গণ্য করা হয় না বা যায়ও না।

বিধবা বৌমার নতুন পরিবারের খোঁজে নুপুরের শ্বশুর শ্বাশুড়ি ভাসুর আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। নুপুরের অন্যদের মতো অর্থাৎ কমলার আর মিতার মতো অবস্থা। বিয়ের এক বছর যেতে না যেতেই স্বামী কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। শুধু একটু আলাদা হলো নুপুরের শ্বশুড়বাড়ির পরিবার চায়না মেয়েটা সারা জীবন বিধবার জীবন কাটায়। তাই তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আবার নতুন পরিবার দিল নুপুরকে।

Position of Second Marriage Girl in Society-

তবে নুপুরকে নতুন পরিবার দেবার জন্য নুপুরের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে গ্রামের পাড়া-প্রতিবেশীর কাছ থেকে অনেক হেনস্থা সহ্য করতে হয়েছিল। শুধু তাই নয় নুপুরকেও দ্বিতীয় বিবাহ মহিলা(Second Marriage Girl) হিসাবে কম হেনস্থা সহ্য করতে হয়নি।

বিদ্যাসাগর যে উদারতা দেখিয়ে বিধবাদের নতুন জীবন দান করার প্রয়াস চালিয়ে সফল হয়েছিলেন। এবং বিধবা বিবাহ আইন(Widow Remarriage Act) অত স্বীকৃত। তবুও এত বছর পরেও মানুষের মনে সংকীর্ণতা পুরোপুরি পাল্টায়নি। সবাই ঈশ্বরচন্দ্রের কথা ও তার সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা পড়েন, শোনেন, কিন্তু তার প্রয়োগের ইচ্ছা খুব কম। সমাজ মননের এক প্রবল শক্তিশালী কুধারণা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সেই সূূত্রে দ্বিতীয়বার বিবাহিত মহিলা(Second marriage girl) সম্বন্ধে আমাদের ধারণা ধনাত্মক নয়।

Negative thoughts of Second Marriage In India about a Girl-

সত্যি কি আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষ সচেতন হবে না? গ্রামগুলি তথা শহরে বসবাসকারী প্রত্যেকটা মানুষের মনের সংকীর্ণতা দূর হবে না? দুনিয়া এত দ্রুত গতিতে চলছে, তবুও মানুষের মনের কোনের ভেতরে সংস্কার গুলি ঘাপটি মেরে বসে আছে।

ঠিক এ ধরনের ঘটনায় যদি কোন এক পুরুষের ক্ষেত্রে ঘটে সেক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টি কিন্তু বাঁকা হয় না। আমরা সহজেই মেনে নি। প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় কোন কিছুর দিকে না তাকিয়ে এক বাক্যেই সমাজ সেটাকে মান্যতা দেয়। অথচ একজন মহিলার ক্ষেত্রে এই ধারণা 180° ঘুরে গিয়ে সমাজ সেই মহিলাকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখে অথবা ভর্ৎসনা করে।

অবশ্য যে মহিলা দ্বিতীয়বার বিয়ের ব্যাপারে আলোচনা, তার মতামত সর্বাগ্ৰে প্রাধান্য পাওয়া উচিত। জোর করে আমাদের চিন্তা ভাবনা তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনমতেই উচিত নয়। বরং ভবিষ্যৎ ভালো-মন্দের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তার উপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া উচিত।

 প্রশ্ন আসুক হিত-অহিত নিয়ে। কোন ধরনের সিদ্ধান্ত বা প্রয়োগ সার্বিক ক্ষতি করবে বা করছে- এ বিষয়ে। প্রশ্ন আসুক সেই সিদ্ধান্ত আর প্রয়োগের উপর। সম্পত্তি  আর্থিক ক্ষতি, বস্তু সম্পদের ক্ষতি দেখা অত্যন্ত জরুরী। অন্যদিকে কারো জীবন সুখ সমৃদ্ধি শান্তিতে ভরে উঠলে আমাদেরও মানসিক  শান্তিতে আনন্দিত হতে বাধা কোথায়?

Phone Number Widows for Second Marriage

A Revolution of Second Marriage in India coming soon- বর্তমানে অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও দ্বিতীয়বার বিবাহের(Second Marriage in India) জন্য বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক পেইজ, গ্রুপ এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। যে সাইটে গিয়ে অনেকেই দ্বিতীয়বার বিবাহের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করান। যদিও শহরের দিকে এর ব্যবহার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আশা করা যায় আগামী দিনে গ্রামের মানুষজনরাও দ্বিতীয় বার বিবাহের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবেন। তখন হয়তো এই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটগুলি বা ওয়েবসাইটগুলি সদ্ব্যবহার করবেন। এবং ভারতে দ্বিতীয় বিবাহের শুধু পুরুষ নয় মহিলাদের মধ্যেও বিপ্লব আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

10 Websites From Where Phone Number Widows for Second Marriage Get

1. Pinterest

Google Search প্রথমেই যে সাইটটি আসে তা হল পিনটারেস্ট। এই সাইটে গিয়ে মোবাইল নম্বর ইমেল দিয়ে একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন। তারপর লগইন করে যেভাবে সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটগুলিতে বিচরণ করেন সেভাবে বিধবাদের একাউন্টগুলি সার্চ করতে থাকুন। মনমত বন্ধু পেলে অবশ্যই এগিয়ে যান। লিংক- Pinterest

2. Matrimonyindians

এই সাইটটিও বিবাহের একটি উত্তম সাইট। বর্মনে ওদের সাইটে প্রায় 60 হাজার ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এখানেও বিধবা বা দ্বিতীয় বিবাহ করার জন্য প্রোফাইল তয় করা যায়। লিংকে ক্লিক করে সাইটে যান- Matrimonyindians

3. Ristokasansar

একটি সর্বপরিকীট ডেটিং সাইট। শুধু তাই নয় এখানে প্রথম দ্বিতীয় বা তার অধিক, বিধবা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের নতুন সম্পর্ক স্থাপনের অন্যতম সাইট। Ristokasansar এর লিংক।

4. Facebook

জনপ্রিয় সোশাল সাইটটিতে তথ্য আদান প্রদান, মার্কেটিং ব্যবসা সহ বন্ধু স্থাপনের এক মাধ্যম। কম বয়সী থেকে মধ্যম বয়স ও বয়স্করাও এই সামাজিক মাধ্যমকে দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাথে মিশিয়ে নিয়েছেন। এখান পেতে পারেন নতুন জীবনসঙ্গীর খোঁজ। মহিলা এবং পুরুষ উভয়ই বন্ধু স্থাপনের মাধ্যমে একে অপরের সাথে মানসিক ভাবের আদান প্রদান করতে পারেন। ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ বা পেজ আছে। সেগুলি সার্চ করুন। পছন্দ মতো গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। তাছাড়া কোনো পেজকে লাইক ও ফলোও করতে পারেন।

5. Matchfinder.in

এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ইন্টারনেট পোর্টাল যা হাজার হাজার দম্পতি এবং বিবাহবিচ্ছেদকে তাদের আদর্শ জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে সহায়তা করেছে। ম্যাচফাইন্ডার নিঃসন্দেহে ভারতের সবচেয়ে অর্থনৈতিক বৈবাহিক ওয়েবসাইট।

প্ল্যাটফর্মটি 100 টাকা থেকে শুরু করে সদস্যপদের বিকল্পগুলি প্রদান করে যা শুধুমাত্র সাশ্রয়ী। 2000 টিরও বেশি ভারতীয় গোষ্ঠীর বর আপনার মতো প্রোফাইলে মিল খুঁজছে। সীমাহীন সংখ্যক ভারতীয় পাত্র-পাত্রীর অ্যাক্সেস পেতে বিনামূল্যে সাইন আপ করুন। ম্যাচফাইন্ডার থেকে প্রদত্ত বিবাহ পরিষেবাগুলি কাস্টমাইজড কাউন্সেলিং, জ্যোতিষ সংক্রান্ত সামঞ্জস্য এবং প্রোফাইল উন্নতি অন্তর্ভুক্ত করে। আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে ম্যাচফাইন্ডার বিবাহ সংক্রান্ত আপনার তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই, এই চমৎকার প্ল্যাটফর্মটি ডিভোর্স ব্যক্তিদের সঠিক সময়ে এবং সর্বনিম্ন খরচে বিয়ে করতে সাহায্য করছে।

6. Shaadi.com: Shaadi.com

এটি একটি প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিবাহ ওয়েবসাইট 25 বছর ধরে বিবাহ সংক্রান্ত পরিষেবা এবং ম্যাচমেকিং উভয়ই সরবরাহ করে। এটি 1996 সাল থেকে চালু হয়েছে। 1996 সাল থেকে, এটি বিশ্বের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে সফল বৈবাহিক সাইট, সারা বিশ্বের লোকেরা তাদের আদর্শ বিবাহ আবিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করে। প্ল্যাটফর্মটি ভারতে প্রথম বৈবাহিক ওয়েবসাইট হিসাবে শুরু হয়েছিল এবং এখন এটি ভারতের শীর্ষ ইউনিকর্নের তালিকায় প্রবেশ করেছে।

7. WestgateMatrimony.com

12 বছরেরও বেশি সময় ধরে, ওয়েডগেট ম্যাট্রিমনি সুখী এবং সফল বিবাহের ব্যবস্থা করে আসছে এবং বর্তমানে প্রতিদিন 600+ ওয়াক-ইন গ্রাহকদের সেবা করে। একটি ব্যক্তিগত স্তরে সেবা প্রদান করে, তারা তাদের ক্লায়েন্টদের একটি প্রটোকল-আবদ্ধ বিবাহ পরিষেবা হওয়ার পরিবর্তে একটি পরিবারের মতো অনুভব করার চেষ্টা করে। বেশ কয়েক বছর ধরে, সাইটটি উপযুক্ত পুনর্বিবাহের সঙ্গী খুঁজে পেতে সহায়তা করেছে।

8. Vivaah.com: Vivaah

, “100% বিনামূল্যে বিবাহ পরিষেবা” নামে পরিচিত। কোম্পানির দর্শন অনুসারে “জীবন সঙ্গীর সন্ধান করাতে মূল্য থাকা উচিত নয়৷ ফলে তাদের বিয়ের যাবতীয় সেবা বিনা খরচে প্রদান করা হয়। আপনি সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়ে আপনার আদর্শ জীবন সঙ্গীর খোঁজে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মের সর্বোত্তম অংশটি হল বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে এটি সময় সাশ্রয় করে। কারণ এর রেজিস্ট্রেশন ফর্মটি সময়ের আগে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ বিবরণগুলি আলাদা করে। ফলে একজনের জন্য তাদের নিখুঁত মিল দেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

9. DivorceeMatrimony.com

বিশেষভাবে বিবাহ বিচ্ছেদপ্রাপ্ত বা বিধবা ব্যক্তিদের জন্য কাজ করে, তাদের নতুন বৈবাহিক সূচনা স্থাপনে সহায়তা করার জন্য তাদের পুনর্বিবাহ সেবায় সহায়তা করে। দ্রুত আপডেট, 24/7 সমর্থন এবং সহজ ম্যাচ পেতে 5 লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী এর DivorceeMatrimony অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন।

10. MatrimonialsIndia.com

ভারতের প্রথম বৈবাহিক ওয়েবসাইট, 1997 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এনআরআই, বিদেশী, এবং ভারতীয় সম্ভাব্য পাত্র-পাত্রীদের লক্ষাধিক প্রোফাইলের বিশাল ডাটাবেসের জন্য তারা ভারতীয় বৈবাহিক ক্ষেত্রের শীর্ষে উঠে এসেছে। পেশা, মাতৃভাষা, শহর, রাজ্য, বর্ণ, এনআরআই এবং ধর্মের উপর ভিত্তি করে একটি চমৎকার মিল খুঁজে পাওয়া সহজ।

11. Jeevansathi.com

এই সাইটটি 1998 সালে প্রতিষ্ঠিত। সম্পূর্ণ নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাথে সাথে অসাধারণ মিল এবং আনন্দময় সম্বন্ধ তৈরি করে। সারা ভারতে জীবনসাথীর অফলাইন ম্যাচ পয়েন্ট সেন্টারও রয়েছে। গ্রাহকরা দ্রুত আপডেট এবং একটি উন্নত ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার জন্য অফিসিয়াল জীবনসাথী অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে পারেন।

12. SimplyMarry.com

এই সাইটটি 2006 সালের ডিসেম্বর থেকে ভারতে প্রথম “ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে, যা লোকেদের তাদের বিয়ের জন্য উপযুক্ত এবং আদর্শ মিল খুঁজে পেতে সহায়তা করে। নিয়মিত বৈশিষ্ট্যযুক্ত সম্প্রদায় এবং অন্যান্য গোষ্ঠীগুলির জন্য দেশ জুড়ে অনেকগুলি স্বয়ম্বর সংগঠিত হয়েছে। অনেক দম্পতি যারা পুনর্বিবাহ করতে চেয়েছিল তারা এই প্ল্যাটফর্মের কম খরচে এবং সম্ভাবনার ব্যাপক নির্বাচনের সুবিধা নিয়েছে।

13. CommunityMatrimony.com

সারা দেশে 140+ বৈবাহিক শাখা সহ, CommunityMatrimony.com হল সম্প্রদায়ের জন্য ভারতের বৃহত্তম বৈবাহিক পরিষেবা। আপনার জীবনসঙ্গীর জন্য কার্যকর এবং দ্রুত অনুসন্ধান করতে, আপনি CommunityMatrimony অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন, যা অ্যাপ স্টোর এবং Google Play এ উপলব্ধ। এটি বিশ্বব্যাপী স্বতন্ত্র সম্প্রদায়ের জন্য 300+ ওয়েব পৃষ্ঠাগুলির জন্য সুপরিচিত। এই বিবাহ পরিষেবা বেশ কয়েকটি ভারতীয় উপজাতিকে বিচ্ছেদ এবং বিবাহবিচ্ছেদের পরে পুনরায় বিয়ে করতে সহায়তা করেছে।

14. M4Marry.com

এটি ভারতের একটি জনপ্রিয় বৈবাহিক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ বিশ্বস্ত ব্যবহারকারীদের একত্রিত করে দ্রুত বিবাহের বাজারে প্রবেশ করেছে৷ তারা বিশ্বাস করে যে বিয়ে কেবল দুই ব্যক্তির চেয়েও তাদের পরিবারকেও অন্তর্ভুক্ত করে। ফলস্বরূপ, তারা আপনাকে নিখুঁত সঙ্গী এবং পরিবার খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে। পুনর্বিবাহে সহায়তা করার জন্য এর ডিভোর্স প্যাকেজটি দুর্দান্ত, এবং নেভিগেশনও দুর্দান্ত। আপনি কিছুক্ষণের মধ্যে সঠিক সঙ্গী খুঁজে পাবেন।

সবার মনের সংকীর্ণতা দূর হোক, আমাদের সমাজ উন্নত হোক- এই শুভ কামনা। ধন্যবাদ।

সদ্যোজাত শিশুর প্রতি অবমাননা।‌‌‌‌‌‌‌‌
বয়স্ক মা বাবার প্রতি আচরণ

Leave a Comment