Ex Justice Abhijit Ganguly Latest: রাজনীতিতে যোগদান, ঠিক ভুল নিয়ে 14টি প্রশ্ন

Ex Justice Abhijit Ganguly Latest News: অভিজিৎ গাঙ্গুলীর রাজনীতিতে প্রবেশের পদক্ষেপ কি ভুল সিদ্ধান্ত? তার এই পদক্ষেপ মানুষ কি মেনে নিল? সত্যি কি আমাদের রাজ্য বা দেশের নোংরা রাজনীতির কিছু পরিবর্তন হবে? মনে হচ্ছে এর উত্তর গুলোর অথবা এরকম আরো অনেক প্রশ্ন হতে পারে, তাদেরই বা উত্তর কি হতে পারে? লোকসভা নির্বাচন 2024 ের প্রাক্কালে প্রাসঙ্গিক কিছু মত বিনিময়ের অবতারণা।

Ex Justice Abhijit Ganguly Latest news
স্বীকারোক্তি- লেখাটি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। কোনো ব্যক্তি বিশেষ বা রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কোনো ইচ্ছা নেই। যদি কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান আঘাত পেতে থাকেন তারজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

যেমন ধরুন তার এজলাসে যে সমস্ত কেসগুলো ছিল সেই কেসগুলোর সুবিচার হবে তো? কতদিনে হবে? অথবা মাননীয় অভিজিৎ গাঙ্গুলীর এজরাশে কেস গুলো উঠেছে বলে বাদী পক্ষের মানুষজন যে স্বস্তির বিশ্বাস ফেলছিল, তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ আশা ভরসা বা নিরাপত্তা ঠিক থাকবে তো? এরকম নানান একঝাঁক প্রশ্ন আসতে শুরু করেছে। কিন্তু এর সব উত্তরগুলো কি নেতিবাচক বা নিরাশাব্যঞ্জন হবে? তা বলা অনিশ্চিত।

Justice Abhijit Ganguly Latest খবর

Ex Justice Abhijit Ganguly Latest খবর নিয়ে আমাদের আজকের বিষয় নয়। সমাজ রাজনীতি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আমাদের নিয়তির পরিণাম কোন পথে যেতে পারে তারই কিছু অনুমান এই নিবন্ধে রয়েছে।

একটা বিষয় প্রমাণিত হলো- প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী ভগবান নন। তিনি আমাদের মতই রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তবে সামাজিক মর্যাদা, মান সম্মানে অনেক উঁচুতে ছিলেন। আগামীতে থাকবেন কি’না তাও অজানা। তার মান সম্মান অসম্মান মিশিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। যেমন ধরুন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন্তব্য করতে শুরু করে দিয়েছেন। এগুলো তাঁকে এবং আমাদেরকেও শুনতে হবে।

তবে কিছু প্রশ্ন নিয়ে একটু আলোচনা করা যেতে পারে। কেন আলোচনা করা যেতে পারে? কেননা প্রত্যেকটা মানুষই আমরা রাজনৈতিক। আমরা যেহেতু একটি রাষ্ট্রে বসবাস করছি, সেই সূত্রে আমাদের একটা রাজনৈতিক সত্তা রয়েছে। কেন প্রশ্ন করব এবং তার সাথে আপনাদের মতামত আশা করা যেতে পারে।

  • ১. মাননীয় প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলীর কি রাজনীতিতে আসা উচিত হল? অথবা ধরুন অভিজিৎ গাঙ্গুলীর পদক্ষেপ কি ভুল?

দেখুন, যে দলে তিনি গেছেন, সেই দলের সমর্থকরা তাকে স্বাগত জানাবেন- এ কথা সত্য ও স্বাভাবিক। তিনি দেশের একজন নাগরিক, সে হিসেবে তার রাজনৈতিক সত্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তিনি যথেষ্ট শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং সচেতন ব্যক্তি। তিনি রাজনীতিতে যেতে পারেন, এ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক অধিকার। আবার বিরোধীরা এবং অন্যান্য সাধারণ কিছু ব্যক্তিগত বর্গ মানুষজন রয়েছেন, বিশেষত যারা নোংরা রাজনীতিরকে একেবারে পছন্দ করেন না, তারা কিন্তু মেনে নিতে পারছেন না, এটাও স্বাভাবিক।

  • ২. যে কেস গুলো তার এজলাসে ছিল তাদের বা সেই কেসগুলোর কি হবে?

বিচার ব্যবস্থার পুতি অনাস্থা রাখাটাই অপরাধ। বিচারপতি যিনি থাকুন না কেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী একাই বিচারপতি নন। তিনিই কেমন সুবিচার দিয়েছেন এ কথা ভুল। মাননীয় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, মাননীয়া বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রমুখদের মত অনেক বিচারপতি আছেন। তাদের প্রতি ভরসা করাটাই শ্রেয়। 

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা যদি ভেবে থাকেন অভিজিৎ গাঙ্গুলী পদত্যাগ করেছেন বলে তারা বেঁচে যাবেন, তাহলে ভুল করবেন।

  • ৩. সবচেয়ে বড় প্রশ্ন রাজনীতির শুদ্ধকরন বা তার যে দাওয়াই ‘সম্ভ্রমবোধের প্রত্যাবর্তন’ কতটুক কার্যকর হবে? তা কি আদৌ সম্ভব?
Ex Justice Abhijit Ganguly Latest

এ প্রশ্নের উত্তর আপনাদের কাছে চাইছি। বাস্তব রাষ্ট্র রাজনীতি অনিল কাপুরের ‘নায়ক’ সিনেমার সাথে যদি মিলিয়ে দিই বা না’ই দি, অত্যন্ত নিষ্ঠুর। কিন্তু যে রাজনীতি সাধারণ মানুষের অধিকার ও স্বস্তি, শান্তিতে বসবাসের অঙ্গীকার করে, তার পুনরুত্থানের জন্যই হয়তো অভিজিৎ গাঙ্গুলীর রাজনীতিতে পদার্পণ এবং এর জন্য শিক্ষিতদের রাজনীতিতে আসা উচিত। এর উত্তর ভবিষ্যৎ বলবে। 

যে রাজনৈতিক দলে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী এসেছেন সেই দলটি সমৃদ্ধ হবে হয়তো। নেতারা জনগণকে বোঝাবেন মাননীয় গাঙ্গুলীর মত একজন সৎ, নির্ভীক, সত্যবাদী মানুষ তাদের দলে এসেছেন, আপনারা সকলেই এই দলকে সমর্থন করুন।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার- কোনো রাজনৈতিক দলের সমস্ত নেতাকর্মীরাই বিশুদ্ধ নন। তিনি যে দলে ঢুকেছেন, সেই দলের মধ্যে অনেক বেনোজল আছে। অন্য দলের বেনোজল, সেই দলে ডুকছে। মাননীয় অভিজিৎ গাঙ্গুলীর মুখে এ কথাগুলো আগামী দিনে শুনতে খুবই খারাপ লাগবে, তিনি এই নেতাকর্মীদের অন্ধকার দিকগুলি হয়তো আড়াল করবেন অথবা কোন কথাই বলবেন না।

তার রাজনীতিতে এবং নির্দিষ্ট দলটিতে দীর্ঘকালীন টিকে থাকার উপর নির্ভর করছে, আগামীতে তার মত সৎ সাহসী মানুষেরা রাজনীতিতে যোগ দেবেন, কি দেবেন না এবং সর্বসাধারণের কাছে রাজনীতির যে অর্থ অসততা, নোংরামু, খুন-খারাপি, মারামারি, এ ধারণা থেকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব মাননীয় গাঙ্গুলীর উপর নির্ভর করছে।

তাছাড়াও বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী’র রাজনীতিতে যোগদান বিষয়ক অসংখ্য প্রশ্ন মনের মধ্যে দানা বাঁদছে। দেখুন তো, সেই প্রশ্নগুলো আপনাদের মানসিকতার সঙ্গে কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছেন কি’না। শুধু প্রশ্নই নয়। এর উত্তরগুলো রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রটিকে কতটা প্রভাবিত করবে বা কতটা স্বচ্ছ, উজ্জ্বল করবে তারও কিছু ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। যে ইঙ্গিতগুলো জনসাধারণের কল্যাণ ও সুখ শান্তির পক্ষে ইতিবাচক হতে পারে।

  • ৪. প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কেন বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন?

তাঁর সরাসরি উত্তর- বৃহত্তর ক্ষেত্রে প্রবেশ করার উদ্দেশ্যে বিচারপতির পর থেকে ইস্তফা। বৃহত্তর ক্ষেত্র বলতে অবশ্যই রাজনৈতিক ক্ষেত্রটির কথা বলেছেন। একথা স্পষ্ট, রাজনীতির ময়দান অনেক প্রশস্ত। মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা জেনে, সেই ভাবে সমাধান করার এক মহৎ প্রচেষ্টার দিকে এগিয়ে যাওয়া ও তাকে সার্থক করা।

  • ৫. তাহলে কি বিচারপতির পদে থেকে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব ছিলনা?

প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-এর মত মানুষের কাছে যদি বিচারপতির পদে থেকে সঠিক বিচার পাওয়া না যায় বা সমস্যার সমাধান করা না যায়, তাহলে প্রশ্ন চিহ্ন আসা অস্বাভাবিক কিছু নেই। পক্ষান্তরে বলা যেতে পারে আইনি নানান ফাঁকফাকর বা জটিলতা হয়তো কম সময়ে সঠিক বিচার কার্য পরিচালনার পক্ষে বাধা স্বরূপ হতে পারে।

  • ৬. রাজনীতিতে নামলেই কি মানুষের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব?

কখনোই নয়। বরং জটিলতা আরও বৃদ্ধি পাবে। সমস্যা সমাধান যেখানে বিচারপতি থাকাকালীন, বিচারপতির ক্ষমতা থাকাকালীন করা সম্ভব হচ্ছে না, এখানে অন্যান্য সামাজিক সমস্যাগুলোর সমাধান কিভাবে সম্ভব তবে? মাননীয় গাঙ্গুলীর অন্য কোন পরিকল্পনা থাকতে পারে।

  • ৭. অভিজিৎ গাঙ্গুলীর রাজনীতিতে নেমে বিচার ব্যবস্থার কি পরিবর্তন হতে পারে?

মাননীয় প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিচার ব্যবস্থা নিয়ে অন্য কোন পরিকল্পনা থাকতে পারে। হয়তো তার জন্যই হয়তো তিনি রাজনীতিতে নামছেন। যেমন ধরুন- অপরাধমূলক কাজকর্মের প্রকৃত উৎস কি বা কোথায়? সেই স্থানটিকে তিনি ভালোভাবে বুঝেছেন এবং স্থানটির চিকিৎসায় নামার পরিকল্পনা করছেন। মানুষের অভাব, অনটন, চাহিদা মিটলে অপরাধ কমার সম্ভাবনা থাকে। অথবা আইনের যে ফাঁকফোকরগুলো রয়েছে সেগুলি বোজানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে।

  • ৮. প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কি প্রবল চাপে ছিলেন?

একথাও অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে তিনি অস্বীকার করতেই পারেন এবং আমাদের এটা অনুমানও হতে পারে যে, তিনি চাপে ছিলেন। কিন্তু বিচারপতি মত পদে থাকলে এবং বেশিরভাগ সময় তিনি যেভাবে রায় দিয়েছেন, তাতে রাজনৈতিক চাপ থাকাটা কি অস্বাভাবিক?

  • ৯. নিরাপত্তার জন্য কি রাজনীতিতে আসা?

এ প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর আমাদের দেওয়া সম্ভব নয়। তার উত্তর অনুযায়ী- তিনি বৃহত্তর ক্ষেত্রে, মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে ‘সম্ভ্রমবোধের প্রত্যাবর্তন’ এর জন্য রাজনীতিতে আসছেন।

  • ১০. প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কি পারবেন সম্ভম বোধের প্রত্যাবর্তন ঘটাতে?

আমাদের মতে ‘অসম্ভব।’ তবে মাননীয় গাঙ্গুলীর পরিকল্পনা অনুযায়ী- এর উত্তর ভবিষ্যৎ বলবে‌। আগামীর দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। তবে রাজনীতির পরতে পরতে যেভাবে অনিয়ম, অনৈতিক কাজ, দুর্নীতির প্রবেশ ঘটেছে, আমাদের ধারণা অনুযায়ী একা অভিজিৎ গাঙ্গুলীর পক্ষে কোনমতেই সে কলঙ্ক মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।

অন্য রাজনৈতিক দলের দিকে আঙুল তোলার সাথে সাথে, নিজের দলীয় কর্মীদের অনিয়ম, অনৈতিক কাজ, দুর্নীতির প্রতিবাদ করে সম্মুখে আনার কাজটিকেও প্রাধান দিতে হবে। যদি আত্মশুদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তবেই সাধারণ শিক্ষিত সচেতন মানুষের মধ্যে আস্থা আসবে রাজনীতির প্রতি। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানুষের রাজনীতিতে প্রবেশের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। নতুবা রাজনীতির অর্থ কেবল ক্ষমতায়ন ও অনৈতিক উপায়ে অর্থ রোজগারের পদ্ধতিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। মানব সম্পদ সৃষ্টি ও তার সুষ্টু বিকাশ বন্টন সম্ভব হবে না।

  • ১১. অভিজিৎ গাঙ্গুলীর কি ভোটে জিতবেন বা ভোটে জেতার সম্ভাবনা রয়েছে?

তার জেতার সম্ভাবনা প্রচুর। মানুষ সৎ, সাহসী কর্তব্য পরায়ণ মুখ দেখতে পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় এমন একজন মানুষের রাজনীতিতে আবির্ভাব। রাজনীতির অঙ্গন আলোকিত ও শুদ্ধ হবে আশা করা যায়। তবে এটাও ঠিক, তার ও তার বিরোধীদের প্রচার ও প্রচারের বিষয়ের উপর কিছুটা নির্ভর করছে। আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সৎ, অসৎ নেতা কর্মীতে কিছু যায় আসে না।

নেতাকর্মীরা কে কত টাকা খেলো, তাতে কিছু যায় আসে না। ন্যূনতম চাহিদা- বিশেষত দু’বেলা অন্ন সংস্থান ও নূন্যতম আশ্রয়টুকু থাকলেই চলবে। কথাটা খারাপ লাগলো বাস্তব সত্য। রাজ্যের রাজনৈতিক দলের বিপরীত রং তাদের অন্নসংস্থানের পথে বাধা হলে, সৎ মানুষের ফ্যাক্টর লঘু হয়ে দাঁড়ায়।

  • ১২. অভিজিৎ গাঙ্গুলী জিতলে কি মন্ত্রী হবেন?

এ প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তরের ইঙ্গিত উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সম্ভাবনা না বলে, বলা ভালো অবশ্যই তিনি মন্ত্রী হবেন।

  • ১৩. প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি হতে পারে?

ছোট মাথায় যেটুকু আসে তা হল- তিনি হয়তো ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি হবেন। এ ভাবনা আমার মাথায় কিভাবে এলো এবং কেন এলো তা বলা সম্ভব নয়। হাস্যকর হলেও বলছি- সুদূর ভবিষ্যতে অভিজিৎ গাঙ্গুলীকে রাষ্ট্রপতির আসনে দেখতে পাচ্ছি।

  • ১৪. প্রাক্তন জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কত দিন রাজনীতিতে থাকতে পারবেন?

দুটো পদ্ধতি- এক হচ্ছে, সবকিছু মেনে নেওয়া, মানিয়ে নেওয়া এবং দুই- পরিবর্তন করা। তার মতো স্বাধীনচেতা সৎ মানুষ পারবেন কি সব কিছুকে মানিয়ে নিতে? যদি না হয়, তাহলে বেশিপক্ষে পাঁচ বছরের মধ্যে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া। আর যদি গায়ে মেখে নেন তাহলে চলতে থাকবে। তার দ্বারা রাজনীতির অঙ্গন পরিবর্তনের ব্যাপারে পূর্বেই বলা হয়েছে। আর আলোচনায় যাচ্ছি না।

Leave a Comment