women's position in society

Women’s Position in Society in 2021 Bengali | Genuine Aspects behind the Mask | মহিলাদের প্রতি প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি

আজও Women’s Position in Society (সমাজে মহিলাদের প্রতি প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি) বিষয়ে অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা আপনাদের কাছে শেয়ার করবো। এক বিচিত্র অনুভূতি। সামাজিক চেহারার আসল ছবি। উপরে আমাদের যে চরিত্র তার অভ্যন্তরে মুখোশের আড়ালে ঢাকা আসল ছবি এবং চরিত্র।

Women’s Role in society বিষয়ে আমাদের পূর্বের লেখাটি হয়তো পড়েছেন। যদি না পড়ে থাকেন তবে অবশ্যই সেটা পড়ে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে। নারী বা মহিলাদের প্রতি প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি, আমাদের আচরণ, মনোভাবের প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ কি?

Women’s Position in Society, reality behind Mask-

আমরা চাঁদে পৌঁছে গেছি। কয়েকদিন পর আমরা মঙ্গলে পাড়ি দেবো। বাড়ি বানাবো সেখানে। বসবাসযোগ্য করব মঙ্গল গ্রহকে। কিন্তু সন্ধ্যা ছয’টার পর ভারতের 48 শতাংশ মানুষ বাড়ীর বাইরে পা রাখতে পারেনা। তারা হল মহিলা। যতই তারা পাইলট হোক, জেটফাইটার চালাক, মেজর জেনারেল হোক, কিন্তু বিয়ের দিন তাকে ধীরে ধীরে যেতে হয়।  4-5 জন লোক তাকে ধরে ধরে বিয়ের মন্ডপে নিয়ে যায়। কিন্তু একজন পুরুষ বিয়ের দিন একজন রাজা। যদিও সে নকল রাজা। কিন্তু তার আচার মনোভাবে রাজার তুলনায় কোন অংশেই কম নয়।

একজন মহিলা পিএইচডি করে থাকলেও বাইরে যাবার সময় তার সাথে একজন 6 বছরের পুরুষ বাচ্চাকে পাঠানো হয় নিরাপত্তার জন্য। যদিও সে বল শালী নয়। যেহেতু সে পুরুষ তাই।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষের 48 শতাংশ জনসংখ্যা সন্ধ্যা 6 টার পর কারফিউতে চলে যায়। এবং তারা হল মহিলা। Right to education, Right to security, Right to exploitation, Right to freedom সবকিছুই হয়, জয় ধ্বনি ওঠে। কিন্তু প্রকৃত ছবি অন্য কথা বলে।

Where Women are not safe?

যদি বলা হয় মহিলারা কোথায় নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে? সবাই বলবে বাড়ির বাইরে। বাড়ির বাইরে গেলে মহিলারা বিপদে পড়তে পারে। ভুল। প্রকৃত সত্য অন্য কথা বলে।

আজ পর্যন্ত যত মহিলাদের উপর শারীরিক অত্যাচার হয়েছে তার মধ্যে 60% বাড়ির মধ্যে হয়েছে। আর যত রেপ কেস রয়েছে তার মধ্যে 90 শতাংশ মহিলার পরিচিত আত্মীয়-পরিজন, পরিচিত ব্যক্তির দ্বারা হয়েছে।

মহিলাদের উপার্জনের টাকা বাইরে চুরি হবার চেয়ে বাড়ির মধ্যে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ভারতবর্ষে 5 লক্ষ কন্যাভ্রূণ হত্যা হয় প্রতিবছর। ভাবা যায়।

ভারতবর্ষে কেবলি পুরুষদের রাজত্ব। একজন বাবা- যে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে, তারও সম্রাজ্য আছে। তারও বংশ রক্ষার জন্য, সাম্রাজ্য শাসন করার জন্য একজন কন্যা নয় একজন পুত্রের আশায় হত্যে দেয়।

মহিলারা আমাদের সমাজের সেকেন্ড প্রায়োরিটি। 52 শতাংশ পুরুষ সবসময় ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

Why 48% female Second Priority?

যে কমজোরি তাকে সবসময় দমিয়ে রাখা হয়। দুর্বল হলেই আপনি তাকে অত্যাচার করবেন। উল্টে আপনি দুর্বল হলে আপনাকে সবার কাছ থেকে অত্যাচারিত হতে হবে। এই ধারণা সকলেরই আছে। এখানে সকলেই শারীরিক শক্তি সামর্থের কথা বলতে পারেন। তবে শারীরিক সামর্থ্য তুলনায়, মানসিক শক্তির প্রাধান্য বেশি পাওয়া উচিত। এ বিচারে আমাদের ধারণা মহিলাটা দুর্বলতর। শারীরিক বা মানসিক ভাবে আমরা বিচার করি কিন্তু তা নয়।

প্রকৃতি বা ঈশ্বর(যাই বলুন না কেন) মহিলা ও পুরুষকে সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করেছেন। অর্থাৎ শারীরিক ও মানসিকভাবে পুরুষ-মহিলা সকলের সমান সমান শক্তি ধারী ও অধিকারী।

Why physical Dfference?

 কিন্তু পুরুষ মহিলাদের মধ্যে শারীরিক যে পার্থক্য তা কেবলই প্রজনন প্রক্রিয়া সচল রাখার জন্য। পৃথিবীতে জীব বৈচিত্রের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্যই পার্থক্য। এ হল সকল জীবের মত মানুষের জীবনধারার মধ্যে জীবের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এক্ষেত্রে পুরুষ এবং মহিলা সমান সমান গুরুত্ব।

পার্থক্য এই জন্য নয় যে কে বাড়ির ভিতর থাকবে, কে থাকবে না। অথবা কে প্লেন চালাবে, কে চালাবে না, কে বর্ডারে থাকবে আর কে থাকবে না। যদি বলা যায় যে কেবল শারীরিক শক্তিধররাই সব স্থানে জয়ী হয় তাহলে, তো এটা ধরে নেওয়া যায় পৃথিবীতে বল শালী রাই রাজত্ব করত সমগ্র মানব সমাজের উপর। তারাই ত্রাতা হয়ে বসে থাকতো। কিন্তু তা হয় কি?

মহিলাটা কিন্তু দুর্বল নয়। আসলে পুরুষরা নিজেদের প্রয়োজনে তাদের দুর্বল তৈরি করে রাখে। এবং একটি পদ্ধতিতে এই ধারণা বা মানসিকতা তৈরি হয়। বাচ্চা বয়স থেকে এর প্রশিক্ষণ শুরু হয়।

যেমন কন্যা হলেই তাকে পুতুল, বারবি ডল, রান্নার জিনিসের খেলনা ইত্যাদি, যত্নআত্তি ধরনের খেলনা দেওয়া হয়। কিন্তু পুত্র হলে তাকে বন্দুক, মেশিনগান, প্লেন, মোটর গাড়ির মতো খেলনা দেওয়া হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আক্রমণাত্মক বা প্রতিযোগিতামূলক খেলনা। অর্থাৎ ছোট বয়স থেকেই কন্যা পুত্রের মধ্যে পার্থক্যের বীজ রোপিত হয়।

কখনো পরিবারের কেউ ছোট পুত্র সন্তানদের বলে- ‘মেয়েদের মতো কথাবার্তা বলিস’,  ‘মেয়েদের মত কাঁদছিস’, মেয়েদের মত চলছিস’, ইত্যাদি। সেই কথাগুলো পাশে দাঁড়ানো কন্যা সন্তান শুনছে। তার মনে প্রশ্ন আসে- মেয়েদের কাজকর্ম আচার-আচরণ সবই খারাপ, কম গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারণা নিয়ে সে বড় হতে থাকে।

একজন কন্যা সন্তান পুরুষদের পোশাক পড়ে কিন্তু পুত্রসন্তান মেয়েদের জামাকাপড় পড়লেই তাকে নিয়ে তাচ্ছিল্য শুরু হয়। কন্যাসন্তান ভাবে- মহিলাদের পোশাক কি খুবই নিকৃষ্ট, কম গুণগতমানের?

একজন ছেলে রাস্তার ধারে চেন খুলে প্রস্রাব করে। কোন দোষ নেই। কিন্তু ওই রাস্তায় মহিলা পেরিয়ে গেলে, সেই মহিলাকে বদনাম করা হয়। ‘পুরুষ প্রস্রাব করছে। তুমিও রাস্তা দিয়ে গেলে কেন?’

এসবই ছোটবেলা থেকে ঘটে থাকে মনের ভিতরে। পারিবারিক স্তর থেকে সমাজের প্রতিটি কোনায় আমাদের শেখানো হয়।

 যে 6 বছরের বাচ্চাটি পি.এইচ.ডি করা দিদির সাথে বাইরে যায়। সে বড় হয়ে ভাবে দিদি খুবই দুর্বল। সে তার দেহ রক্ষক হতে পারে। তার দিদি কখনো তার দেহ রক্ষক কখনো নয়। একজন মহিলা পুরুষের কাছে পাঞ্জা লড়াই হারলে স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে আমরা ধরি। কিন্তু পুরুষ যদি মহিলাদের কাছে একই খেলায় হারে, তার সমাজে বাস করা দুরূহ হয়ে পড়বে।

তাছাড়া বিয়ের সম্বন্ধের ব্যাপারে যদি পুরুষ কোন মহিলাকে বাতিল করে, তাহলে তার স্বাভাবিক। কিন্তু একই কারণে মহিলা পুরুষকে বাতিল করলে, পুরুষের মনে শুরু হয় টানাপোড়েন এবং তা ব্যক্তিগত স্তর থেকে পারিবারিক এবং সেখান থেকে সামাজিক স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

মহিলাদের উপর শারীরিক, মানসিক নির্যাতন এবং ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোর পেছনে পুরুষদের মনে ‘মহিলাটির কাছ থেকে ছোট হয়েছি’- এই ধারণা বা মানসিক ভাবে কাজ করে থাকে।

মহিলাদের শারীরিক অত্যাচারের কারণ হিসেবে পুরুষদের মনে কাজ করে যে- মহিলারা দুর্বল। দুর্বলের উপর শারীরিক অত্যাচার করা তার ধর্ম। অত্যাচারের পর সে ধরা পড়বে ঠিকই, কিন্তু সাজা পাবে না। কোন না কোনভাবেই সেখান থেকে ছাড়া পাবে। খুব কম সংখ্যকই সাজা পর্যন্ত পৌঁছায়।

যেকোনো রেওয়াজ রীতিতের পরিবার, আত্মীয় স্বজন কন্যাকে দুর্বলতার কথাই শেখায়। বিপরীতে পুত্রকে শক্তিমান বলার মানসিকতা তৈরি করে।

Women’s Position in Society in respect of Property Distribution-

আমাদের সংবিধান বলে- পুত্র-কন্যা সমান। অর্থাৎ মা বাবার সম্পত্তির অংশ পুত্র-কন্যা সমান ভাবে পাবে। কিন্তু আমাদের সমাজ তা বলে না। মাত্র 5 শতাংশ এই সুবিধা পায়। বাকি 95 শতাংশ ক্ষেত্রেই পুত্ররা মা-বাবার সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয়। এই আমাদের মহিলাদের প্রতি প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি।

যদিও বা 5 শতাংশ মহিলা মা-বাবার সম্পত্তি পায়, সেখানে তার নিজের টাকাপয়সায় সে কিভাবে খরচ করবে তার স্বাধীনতা থাকে না। সে পড়াশোনার জন্য বা কোন দ্রব্যাদি কেনার জন্য কোন পুরুষের অনুমতির অপেক্ষায় থাকে। নিজের অর্থ স্বাধীনভাবে খরচ করতে পারেন না।

Women’s Position in Society in respect of Education-

বাবা-মা পড়াশোনার ক্ষেত্রে পুত্রকন্যার মধ্যে পুত্রকে অগ্রাধিকার দেয়। তার পড়াশোনার প্রতি যত্ন নেয়। কন্যা যদি মেধাবীও হয়, তার প্রতি পড়াশোনার গুরুত্ব কম থাকে। বাবা-মা’র মনে সব সময় একটা ধারণা থাকে- ‘বিয়ে দিয়ে শ্বশুরবাড়ি পাঠাতে হবে। যদিও কখনো কখনো বাবা-মা কন্যার পড়াশোনার প্রতি যত্ন নেন, গ্রাজুয়েশন, পোস্ট গ্রাজুয়েট হয়, তাতে তার বিয়ের সম্বন্ধটা আরো সহজ হবে বলেই মনে করে।

কন্যার একদিকে বাবা-মা’র শশুর বাড়ি পাঠানোর জন্য ঝোঁক, অন্যদিকে শ্বশুরবাড়িতে সেই কন্যা বাইরের মেয়ে। অর্থাৎ সে কন্যা বুঝতেই পারেনা কোনটা তার বাড়ি।

বিবাহিত কন্যা যদি বাবা মায়ের জন্য কিছু করে, যেমন- চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, বাড়ি তৈরি করা, বা নিজের জন্য বাড়ি কেনা। তার সম্মানও পুত্রকে দেওয়া হয়। কন্যা পায় না। এ এক অন্ধকার মানসিকতার শিকার কন্যা সন্তানরা।

Domestic Violence-

দেখা গেছে তিনজন কন্যার মধ্যে একজন ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার। এই অত্যাচার পুরুষরা কেবল নিজেদের আয়ত্তে নিয়ন্ত্রণ রাখার কারণে করে। অর্থাৎ তাদের দুর্বল স্থানগুলিতে মহিলারা যেন কথা না বলে, না ধরে, না আলোচনা করে। এই জন্য নিজের ভুলগুলো, অন্যায়গুলো যাতে ভবিষ্যতে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাতে পারে তার নিয়ন্ত্রণ।

অত্যাচারও বেশ সুগঠিত সাংগঠনিকভাবে করা হয় একটি সিস্টেমের মাধ্যমে। পরিবার অনুযায়ী বিভিন্ন অত্যাচার বিভিন্ন রকম। কোথাও শারীরিক, কোথাও অর্থনৈতিক, কোথাও মানসিক ইত্যাদি। এগুলি ধীরে ধীরে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। এবং মধ্যে মধ্যে বিরতি থাকে। অর্থাৎ একটা সুগঠিত সাংগঠনিক সামাজিক পদ্ধতি। বিরতিতে কন্যাকে বলা হয়- ‘তার ভালোর জন্য করা হচ্ছে। জীবনে তার উন্নতি হবে।’

আমাদের সমাজে পুরুষ অনেক ছিলেন। এখনো আছেন। যারা প্রকৃত পুরুষমানুষ হিসেবে গণ্য হয়। যেমন- মহাত্মা গান্ধী, আম্বেদকর, রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ ইত্যাদি গুণীজনরা। এদের সামনে সাধারণ মানুষের পুরুষত্ব নিছকই অনু সম। অথচ তারা কেন এত পুরুষত্ব দেখায় ভেবে পাইনা।

ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স- এর ক্ষেত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে কনিষ্ঠ কন্যা শিশুটির উপর অত্যাচার। তাকে মানুষ তৈরি করার নামে। সেই পুরুষই তার মহিলাবসের কাছ থেকে, সহকর্মীদের কাছ থেকে গালি-গালাজ খেয়ে বাড়িতে ফিরে স্ত্রী-কন্যাকে অত্যাচার করে। আবার দেখা গেছে, যে পুরুষরা বেশি অসফল জীবনে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে, তারাই বেশি অত্যাচার করে থাকে।

Women’s Position in Society in Development Country-

উন্নত দেশগুলিতে এ ঘটনা বা চিত্র ভারতের থেকে একটু আলাদা। সেখানে পুরুষ মহিলা সমানাধিকারে জীবনযাপন। পুত্র কণ্যা সমান সমান অধিকারে বিশ্বাসী।

ইংরেজদের শাসন কালে ইংরেজরা ভারতীয়দের কখনোই তাদের সমান মানের ভাবেনি। সবসময়ই নিকৃষ্ট ভেবেছে। তাই অত্যাচার চালিয়েছে। স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের সমাজে সেই অসমতা পুরুষ নারীর মধ্যে দিয়ে রেখে একই ধরনের অত্যাচার চলছে।

বিশ্বে জিনিসপত্র ওঠানামানোর ক্ষেত্রে একজন মহিলা পুরুষের তুলনায় দ্বিগুণ বেশি কাজ করে। এটা প্রমাণিত। এরপরও 99 শতাংশ বিচারক পুরুষ। পার্লামেন্টে 80% সিটে পুরুষরা বসে থাকেন। সারা বিশ্বে 80% সম্পত্তির মালিক পুরুষ।

উপসংহার-

উপরের সমস্ত ঘটনাগুলো কারণ এই নয় যে এর পেছনে পুরুষ দায়ী। এ হল সামাজিক চিন্তা বা ধারণা। আবার এটাও ঠিক পুরুষরা শারীরিক বা মানসিক ভাবে অত্যাচারিত হয় না। এরও অনেক প্রমান আছে। এর মধ্যে মহিলা ও পুরুষ সমান ভাবে আছেন। আবার এর বিরুদ্ধে মহিলা পুরুষ সকলেই আছেন। 

আমার বক্তব্য শুধু মহিলা অধিকার নয় বরং বলা ভালো মানুষের মৌলিক অধিকারের সমস্যা। আমরা আশা করব পুরুষ-মহিলা এক ছাতার তলায় দাঁড়িয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার অর্জনের সমাজগত দিক দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে একদিন নতুন সমাজ তৈরি করবে। তখনই হয়তো মহিলাদের প্রতি প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাবে। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *