Why Educated Unemployed a Peculiar Problem

Why Educated Unemployed a Peculiar Problem of India 12 Absolute Reasons | ভারতের শিক্ষিত যুবকদের বেকারত্ব এক অদ্ভুৎ সমস্যা

Why educated unemployed a peculiar problem of India- ভারতের মতো দেশে এ ধরনের প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। একদিকে শিক্ষিত ব্যক্তির আনএম্প্লয়মেন্ট অন্যদিকে অশিক্ষিত ব্যক্তিদের জয়জয়কার ভারতে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়ার চলমান স্রোত।

শিক্ষিত বলতে স্কুল-কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভও যেমন আছে, তেমনি প্রকৃত শিক্ষার অভাব যা মানুষকে মানবিক হবার সুযোগ দেয় সেই শিক্ষার অভাবও ভারতকে তার শ্রেষ্ঠত্ব থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রেখেছে। এবং বেকারত্বের সমস্যা অবশ্যই ভারতের সামাজিক যত সমস্যা আছে তার মধ্যে অন্যতম(This is one of the largest social issues in India).

অন্যদিকে অশিক্ষা যাকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় আমরা বলি নিরক্ষর, সেই মানুষের সংখ্যাও কম নয়। তবে প্রাতিষ্ঠানিক কাজকর্ম তথা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এদের স্থান একেবারেই নেই। কিন্তু এই ধরনের নিরক্ষর বা প্রাতিষ্ঠানিক অশিক্ষিতদের প্রসঙ্গ এখানে আজকের আলোচ্য বিষয় নয়। আজ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা যেকোনো ধরনের ডিগ্রির অধিকার পেয়েছে অথচ তারা আজ বেকার কর্মহীন। তার কারণ এবং কারণ গুলির সামান্য পর্যালোচন করব।

তবে সবক্ষেত্রে যে সফল হবার সুযোগ রয়েছে তা নয়, তবুও মৃদু আশার আলোকে ধরে বেঁচে থাকার প্রয়াস চালানো ভুল কিছু নয়। এখন দেখা যাক-

Page Contents

Why Educated Unemployed a Peculiar Problem of India | One of the Largest Social Issues in India | ভারতের শিক্ষিত বেকারত্বের সমস্যার কারণ-

1. Saturation in the field of employment sector | সংস্থাগুলিতে কর্মীনিয়োগ স্থান সম্পৃক্ততা-

প্রথমে যে কারণগুলো নিয়ে আজকের আলোচনা তাহলো কর্মক্ষেত্র গুলিতে কাজের স্থান সংকুলান। সম্পৃক্ততা অর্থাৎ কাজ করার জায়গা কমে যাচ্ছে। কর্মী সংকোচন বা শূন্যস্থান হলে তা বাইরে থেকে নতুন করে কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা মালিকপক্ষের কমে যাচ্ছে। তারা দেখছে যে সমস্ত কর্মী বর্তমানে আছে তাদের ওপর কাজের দায়িত্ব বৃদ্ধি করে অর্থাৎ কাজের বোঝার বুদ্ধি করে কর্মী সংকোচনের মনোভাবকে ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

ফলস্বরূপ নতুন কর্মী নিয়োগের চিন্তা ভাবনা করার বিষয়গুলি প্রশাসনিক বৈঠকের আলোচিত হয় না। মালিক পক্ষ বেশি লাভ করার প্রয়াসে একই বেতনে বর্তমান শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর প্রতিজ্ঞায় থাকার চেষ্টা করে। লক্ষ্য- বেশি মুনাফা। বেশি কাজ করানোর এবং একই বেতন বেশি লাভের লোভ মালিকপক্ষকে নির্দয় করেছে। অন্যদিকে শিক্ষিত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। That is Why educated unemployed a peculiar problem of India.

2. Technically Non-skilled Labour | প্রযুক্তিগত অদক্ষ শ্রমিক-

ভারতে non-technical, non-professional শিক্ষিত যুবক যুবতীর সংখ্যা অত্যধিক। যেহেতু সরাসরি স্কুল কলেজের সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত তাই প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান তাদের স্থান হয় না। এ সমস্ত প্রতিষ্ঠান সবসময়ই দক্ষ শ্রমিক চায়। নতুন আনকোরা non-technical কর্মী নিয়োগ করে তাদের ট্রেনিং দেওয়ার মত সময়, ধৈর্য এবং অবশ্যই অর্থ ব্যয় করার পক্ষপাতি নয়। তারা চায় সবসময় রেডিমেড, রেডি ইন হ্যান্ড, যাদের পেছনে কোম্পানি কোনভাবেই সময়, অর্থ ব্যয করতে প্রস্তুত নয়। মুনাফায় হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য।

ফলে একজন non-technical নন স্কিলড বেকার টেকনিক্যাল দক্ষতা থেকে পিছিয়ে থাকছে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

3. Overpopulation | জনসংখ্যার আধিক্য-

জন আধিক্যের জন্য কর্মক্ষেত্র সংকুলান বাধাস্বরূপ। কর্মে নিযুক্ত হওয়ার লোকসংখ্যা প্রচুর। এখানে নন টেকনিক্যাল, টেকনিক্যাল উভয় ধরনের বেকারদের সংখ্যা কম নয়। শুধু টেকনিক্যাল স্কিলড বেকারদের কথা বলা হলেও তাদের সংখ্যাও প্রচুর। গত 15-20 বছর ধরে মানুষের মধ্যে টেকনিক্যাল প্রফেশনাল কোর্স করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 15-20 বছর আগে যেভাবে আইটি সেক্টর বা কম্পিউটার নির্ভরশীল সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান উদ্ভব হয়েছিল সেই সময়ের চাহিদা অনুযায়ী টেকনিকেল স্কিলড বেকার যুবক যুবতীরা আজ আর বসে নেই। কোন না কোন সংস্থায় তারা কর্মে যোগদান করে বেশ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।

ফলস্বরূপ এখন আর নতুন করে সে স্থান পূরণ করার সামান্য সম্ভাবনায় বেঁচে আছে। কাজের ক্ষেত্র সেই একই আছে। বেড়েছে জনসংখ্যা এবং বেড়েছে কর্মী পদপ্রার্থী বেকার যুবকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা।

4. Closing of factory | কল কারখানা বন্ধ-

ভারতে বর্তমান বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেক কারখানা লোকসানে চলার কারণে, সরকার হোক বা বেসরকারি মালিকপক্ষ কেউ চাইবে না কেবলমাত্র শ্রমিকদের বেতন বা মেনটেনেন্স এর জন্য মাসের-পর-মাস খরচা করে যাবে।

নতুন কারখানা তো দূর, পুরনো কারখানা যেখানে বন্ধ হয়, সেখানে কর্মী নিয়োগ কিভাবে সম্ভব? অন্যদিকে শিক্ষিত বেকারদের সংখ্যাধিক্য বেকারত্বের হার কে ত্বরান্বিত করছে।

অবশ্য কলকারখানা বন্ধের কারণ হিসেবে অনেক যুক্তি আছে। যেমন-

  • চাহিদা হ্রাস।
  • উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি। পুরনো যন্ত্রপাতির জন্য কম উৎপাদন বিকল্প উৎপাদন ও পরিবেশবান্ধবের জন্য আইনি জটিলতা ।
  • সরকারি নীতি।
  • রাজনৈতিক সমস্যা।
  • শ্রমিকদের চাহিদা মেটানো ইত্যাদি নানান কারণে কল-কারখানাগুলো বন্ধ হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও বন্ধ হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

5. Computerised Machinery | যন্ত্রপাতি কম্পিউটারাইজড হওয়া-

এখন নতুন কারখানা অর্থে নতুন টেকনোলজি। আর নতুন টেকনোলজি বলতে অবশ্যই কম্পিউটারাইজড মেশিনারি। সেখানে মাত্র একজন কর্মী কম্পিউটারাইজড মেশিনারি দ্বারা একসাথে হাজার শ্রমিকের কাজে পারদর্শী।

একদিকে মালিকের শ্রমিকের বেতনের জন্য সামান্য অর্থ প্রদানের মাধ্যমে কার্য সমাধান হচ্ছে। অন্যদিকে মাত্র তিনটি সিফটে্যর জন্য মাত্র 3 জন শ্রমিক নিয়োগ করলেই কার্য সমাধান সম্ভব।

অবশ্যই মালিক আর কায়িক শ্রমের জন্য নতুন করে কর্মী নিয়োগ করবে না।

শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীর সংখ্যাধিক্যের জন্য কম্পিউটারাইজড মেশিনারীও দায়ী।

6. Corruption | দুর্নীতি-

ভারতের দুর্নীতি বা Corruption এর আধিক্য ও শিক্ষিত বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধির এক অন্যতম কারণ। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ার জন্য সঠিকভাবে কাজ কর্ম পরিচালনা ও তার সঠিক প্রয়োগ হয় না।

স্বজনপোষণ ও অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিনামকে অস্বীকার করা যায় না।

7. Political Situation | রাজনৈতিক অবস্থা-

রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য বেকারদের সংখ্যাধিক্যকে রোধ করা সম্ভব হয় না। রাজনীতির বিভিন্ন সমস্যা নতুন কল কারখানা প্রতিষ্ঠা বা কারখানার পুনর্নবীকরণের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে নতুন কারখানা তৈরি না হওয়ার জন্য বেকার বুদ্ধি, অন্যদিকে পুনর্নবীকরণ না হওয়ার জন্য নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ার পথে বাধাস্বরূপ।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় সিঙ্গুরে টাটা কারখানা হয়নি কেবল মাত্র রাজনৈতিক সমস্যা উদ্রেক  হওয়ার জন্য। পূর্বতন সরকারের কিছু ভুল এবং বর্তমান সরকারের চাপে টাটা(TATA) তার কারখানা গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলস্বরূপ পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক বেকারত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিক হয়ে পড়ে।

8. Technical Error during Employment Process | কর্মী নিয়োগের পদ্ধতিগত ত্রুটি –

কর্মী নিয়োগের যান্ত্রিক এবং আইনি জটিলতাও কর্মী সংকোচন এবং কর্মী নিয়োগ পদ্ধতিতে অন্তরায় সৃষ্টি করছে। সরকারি বেসরকারি সংস্থা এমন ভাবে ত্রুটিযুক্ত বিজ্ঞাপন, পরীক্ষা নেওয়া, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করছে, যেখানে কর্মপ্রার্থী আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে। তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মামলা রুজু করেছে।

আদালতও বাধ্য হয়ে কর্মী নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা/stay order(what is stay order) জারি করছে। সমস্ত নিয়োগ পদ্ধতি সেখানে এক জটিল পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করার জন্য সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষিত বেকারত্বের সমস্যা ও সংখ্যা বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়ে পড়ছে।

9. Re-employment of Retired person | অবসরপ্রাপ্তদের পুনর্নিয়োগ-

বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পুনর্নিয়োগ একটি পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 60 বছর বয়সে অবসর এবং তারপরে আরো পাঁচ বছরের জন্য এক্সটেনশন নতুন কর্মী নিয়োগে বাধা দিচ্ছে। এতে সরকারের দুই ধরনের লাভ। 

একজন দক্ষ অভিজ্ঞ কর্মী পাচ্ছে। অন্যদিকে সেই কর্মীকে কম বেতন অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে একটা লামসাম অ্যামাউন্ট দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারছে। নতুন কর্মী নিয়োগ হলে তাকে নতুন স্কেলে পুরো বেতন দিতে হবে।

অবশ্য অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি নবনিযুক্ত জন্য একটা অ্যামাউন্ট পাচ্ছেন। অন্যদিকে তার পেনশন। ফলে রিটায়ার ব্যক্তিদের লাভ হচ্ছে। কিন্তু নতুন কর্মী নিয়োগের রাস্তা বন্ধ।

20. Contractual Employee | চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ-

এখন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের পরিবর্তে অস্থায়ী কর্মী বা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রচলন হয়েছে। অর্থাৎ কন্ট্রাকচুয়াল এম্প্লয়মেন্ট। খুব কম বেতনে একজন স্থায়ী কর্মীর কাজ কখনো বা তার বেশি কাজ একজন কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীর কাছ থেকেই পেয়ে যাচ্ছে।

ফলস্বরূপ নতুন করে স্থায়ী কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করার প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীদের ক্ষেত্রে এক মানসিক শান্তি। কিছু না কাজ না পাওয়ার থেকে সামান্য যেটা পাওয়া যায় তাই লাভ। আর ওই কর্মীর 60 বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ীকরণের আইন চালু হচ্ছে বা  হয়েছে। অর্থাৎ Non-Pay Scale এ Lump Sum Amount ও 60 বছর পর্যন্ত কর্ম।

অতএব স্থায়ী কর্মী নিয়োগের প্রসঙ্গ উত্থাপন হবার সম্ভাবনা হ্রাস পাচ্ছে।

11. Choice of Government or Private sector | ঠিকমতো সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা পছন্দ না করতে পারা-

ভারতীয় সাধারণ মধ্যবিত্তদের মধ্যে সরকারি ক্ষেত্র ও বেসরকারি ক্ষেত্র হিসেবে মানসিকতা ও বিভাজন খুব স্বাভাবিক ঘটনা। একদল সরকারি চাকরির দিকেই তাকিয়ে থাকে। বেসরকারি কারখানা বা সংস্থার প্রতি উদাসীন। অন্যদিকে অন্যদল সরকারি ক্ষেত্রে পারদর্শিতায় উত্তীর্ণ হোক বা নাই হোক বেসরকারি সংস্থার দিকেই লক্ষ্য থাকে।

এভাবে দুই ক্ষেত্র থেকেই বারবার চূড়ান্তভাবে নিয়োগের প্রতীক্ষায় থাকতে থাকতে অবশেষে বয়স চলে যায়।

সুতরাং বেকারত্বের সমস্যা ও এর সংখ্যাধিক্য স্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে।

12. Lockdown Situation in respect of Covid-19 | কোভিড-19 এর জন্য লকডাউন-

2020- 2021 আমরা এক সাংঘাতিক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছি। কোভিড-19 সারা বিশ্বের সাথে ভারতেও এর প্রভাব মারাত্মক। লকডাউনে কাজকর্মের সংকোচনের পরিস্থিতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে কলকারখানা বন্ধ অফিস বন্ধ। বিশেষ করে বেসরকারি সংস্থাগুলো বাধ্য হয়েছে কর্মী সংকোচন করতে অথবা কর্মীদের বেতন হ্রাস করতে।

পূর্ব নিযুক্ত কর্মীদের কর্ম অনিশ্চয়তার পথে। অর্থাৎ বেকারত্বের দিকে ধাবমান। স্বভাবতই বেকার সংখ্যাধিক্য এক স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে পড়েছে।

Conclusion | উপসংহার-

Those are the main reasons of Why Educated Unemployed a Peculiar Problem of India. But these are not the last question.

আমাদের ভারতীয় জনসমাজে এক ধারণা কাজ করে সরকারি চাকরি না পেলে বেকার। অনেক সময় প্রাইভেট সেক্টরে কর্মও বেকার হিসেবে চালিত হয়। অথবা Self-employment বা ব্যবসায় নিযুক্ত শিক্ষিতরাও বেকার হিসেবে দাবী করার মানসিকতা এড়ানো যায় না।

অতএব প্রশ্ন হচ্ছে- বেকারত্ব ও কর্মরত-এর সংজ্ঞা নির্ধারণের। এ নিয়ে প্রশ্ন আসুক বিতর্ক। এর সাথে যুক্ত হোক Self employment(আত্ম নিযুক্তি/স্বয়ম্ভর) স্বাবলম্বন, স্বাধীন কর্মযোগ। এভাবেই ভারতের শিক্ষিত বেকারত্বের সমস্যা সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে। উদ্দেশ্য নিজ তথা পরিবারের জীবন জীবিকার নিশ্চয়তা- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের প্রাথমিক প্রয়োজনের সাথে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের সমাবেশ। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *