Non-digital Citizenship of Homeless in India

How Fully Vaccinated Non-digital Citizenship of Homeless in India in respect of Covid-19 | নন ডিজিটাল গৃহহীনদের কিভাবে টীকাকরণ?

আমাদের মনে সংশয় শুরু হয়েছে Non-digital Citizenship of Homeless in India and hard immunity in respect of covid-19 দের নিয়ে | গৃহহীনদের ডিজিটাল নাগরিকত্ব ও শক্তিশালী অনাক্রমতা এক সাধারন সংশয়। বর্তমান ভারতবর্ষের অন্যান্য সমস্যাগুলির সঙ্গে এটাও এক উল্লেখযোগ্য সমস্যা। সারা ভারতজুড়ে করোনা অতি মারীর জন্য টিকাকরণ চলছে। উদ্দেশ্য হার্ড ইমিউনিটি তৈরি করা। এটি তৈরি হলেই করোনা ভাইরাস কে জয় করা যাবে। মানুষ মুক্তি পাবে কোভিড 19 মহামারী থেকে। 

যারা গেছে তারা আর ফিরে আসবেনা। এ কঠিন বাস্তব। কিন্তু যারা বেঁচে আছেন, তাদের নিয়ে আগামীর পথচলা। নতুন করে নতুন পথে পা বাড়ানোর সময়।

Hard Immunity-

তাই প্রয়োজন সকল স্তরের মানুষকে টিকাকরণ কর্মসূচির আওতায় আনা। অর্থাৎ 100% টিকা প্রয়োগ হলেই ভারতবর্ষে করোনা থেকে মুক্তি পাবে। সারা পৃথিবীর প্রতিটি দেশ এভাবে কর্মসূচি পালন করলে মানুষকে অতি মারীর(Pandamuc) নিরাপত্তা দেওয়া নিশ্চিত হবে। এই সাধারণ কর্মসূচি প্রতিটি নাগরিক সরকারের কাছ থেকে আশা করছে। অন্যদিকে সরকার চেষ্টায় আছে কেউ যেন এই কর্মসূচির আওতা থেকে বাদ না পড়ে।

First step for vaccination-

এই টিকাকরণ কর্মসূচি প্রাথমিক স্তরে যা করণীয় তা হল ভ্যাক্সিনেশন রেজিস্ট্রেশন। Cowin নামক একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে 18এর ঊর্ধ্বে কোনো নাগরিককে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। টিকা করনের জন্য নাম নথিভুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট গুলোর মধ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড বা অন্যান্য যেকোনো সরকারি পরিচয় পত্র, যেকোনো একটা হলেই হবে। আর তার সাথে অবশ্যই মোবাইল নাম্বার।

আমারা, সারা দেশের নাগরিক রেজিস্ট্রেশনের জন্য তৎপর হয়েছি। যত তাড়াতাড়ি রেজিস্ট্রেশন কত তাড়াতাড়ি অন্তত প্রথম ডোজ নেওয়া যাবে। অনেকটাই নিরাপদ কোভিড থেকে।

সহকারী প্রচার ও মানুষের তৎপরতা একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের বদ্ধপরিকর। যাদের নিজস্ব মোবাইল, কম্পিউটার আছে, তারা যেমন নিজের ও পরিবারের সদস্যদের রেজিস্ট্রেশন করার জন্য তৎপর। তেমনি দেখা যাচ্ছে সাইবার ক্যাফে বা কম্পিউটার সেন্টারগুলোতে মানুষের ভিড়। হবে নাই বা কেন। সমস্ত জনগণের কাছে তো মোবাইল বা কম্পিউটার নেই। থাকলেও তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানে না। কোন সাইটে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ইত্যাদি নানান খুঁটিনাটি পদ্ধতি। ভুল হয়ে গেলে বিপদ। ভবিষ্যতে রেজিস্ট্রেশন ও টিকাকরণ যদি অআর না হয়। তখন তো বিপদের শেষ নেই।

অতএব ঝুঁকি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। চলুন সব কম্পিউটার সেন্টারে। এর ভালো দিকও আছে। এক- রেজিস্ট্রেশনে ভুল হবার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে কম্পিউটার সেন্টার গুলো এই মন্দা বাজারে দুটো পয়সা হবে।

এ তো তো গেলো ডিজিটাল সিটিজেনদের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ এদের নাম ডিজিটালি নথিভুক্ত আছে ইলেকশন পোর্টাল বা UIDAI এর পোর্টালে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ভারতের 100% নাগরিক ডিজিটাল সিটিজেনশিপ এর আওতায় এসেছে কি? এর আওতায় কারা নেই একটু দেখি।

Non-digital Citizenship of Homeless in India

ভারতবর্ষের ফুটপাতে, ব্রিজের নিচে, রেল লাইনের পাশে ঝুপড়িতে, রোহিঙ্গা, রিফিউজি, ভবঘুরে মানুষজন তাদের সবার কি মোবাইল আছে? তারা সবাই কি ডিজিটাল পোর্টালে নথিভূক্ত আছেন? না নেই। তাহলে এদের ভ্যাকসিনের জন্য রেজিস্ট্রেশন কিভাবে হবে? রেজিস্ট্রেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় একটি নথির মধ্যে অনেক কিছুই নেই। মোবাইলও নেই। তাহলে উপায়? জানা নেই কিভাবে রেজিস্ট্রেশন হবে বা কিভাবে এরা ভ্যাকসিন পাবে।

তাছাড়াও Digital Citizen রাও টিকাকরণ কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর পরেও ফিরে আসছে টিকার সরবরাহ না থাকার জন্য। অর্থাৎ ডিজিটাল সিটিজেনরা সময়মতো টিকা পারছেন না। তাহলে Non-digital Citizen রা কিভাবে পাবেন? এতে কী সমস্যা হতে পারে?

What type of problems arise in future if not vaccinated the Non-digital Citizenship of homeless in India-

উদ্দেশ্য 100% হার্ড ইমিউনিটি। সারাদেশে কবে এই কার্য সমাধান হবে জানা নেই। 140 কোটি নাগরিকের এক বড় অংশ 18 বছরের নিচে। এর অংশ 40% হলে প্রায় 56 কোটি। 140-56=84 কোটি মানুষকে Vaccine প্রয়োগ। তার পর 18 বছরের নিচে অন্য ধরনের কোন ভ্যাকসিন এর অপেক্ষায় আমরা আছি। এ এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।

2011 সালের হিসাব অনুযায়ী non digital homeless people এর সংখ্যা 1.7 মিলিয়ন। মতান্তরে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন এস্টিমেট করেছে যে এটা 3 মিলিয়নেরও বেশি। (Sources- Indiaspend.com)। এর সূত্র অনুযায়ী Non-digital Citizenship of Homeless in India এর 40% কোভিড- 19 এর রিলিফ পায়নি। তাহলে কিভাবে আশা করা যায় এরা টিকাকরণ কর্মসূচির আওতায় আসবে।

উদ্দেশ্য 100% হার্ড ইমিউনিটি। না হলে সংক্রমণ ছাড়ানোর হাত থেকে রেহাই পাওয়া মুশকিল। এদের শরীরে কোভিড পুনরায় নতুন রূপ ধারণ করে আবার সারাবিশ্বে ছড়াবে না এর নিশ্চয়তা দিতে কেউ পারবে না। কেন না গৃহে বসবাসকারী মানুষকে 100% লকডাউন বা আইসোলেট করে রাখা বেশ কঠিন কাজ। তাহলে গৃহহীনদের কিভাবে কোন গণ্ডির মধ্যে আটকানো সম্ভব?

আরো পড়ুন- নেপটিজম কিভাবে একটা জাতিকে ধ্বংস করে
শিশু শ্রমিকদের ভাবনা কেবল কি শিশুশ্রম বিরোধী দিবসেই?

সমাধানের পথ-

একটা সাধারণ সমাধানের রাস্তা- অতি শীঘ্রই Non-digital Citizenship of Homeless in India দের যে কোন উপায়েই হোক টিকা করন করা সম্পূর্ণ করতে হবে। যদি এদের নথি সরকারকে রাখতেই হয়, তাহলে স্পেশাল করে টিকা করন করা আবশ্যকতা থাকছে। নতুবা বিপদ হতে দেরি হবে না। অন্যরা টীকা নিলেও এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ হবে না। আমরা বিপদ থেকে মুক্তি পাবো না কোনভাবেই।

বেঁচে থাকার অধিকার সবার সমান। আমাদের যেমন বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে, তারা গৃহহীন বলে তাদের বাঁচবার অধিকার নেই- এ ধরনের ধৃষ্টতা না থাকাই শ্রেয়।

pmehatory

Hi I am Prabhat, Prabhat Mehatory. I am PG, interested in Technology and Blogging. Like to read and inspired from there try to write something whatever I gathered from learning and experiences.

View all posts by pmehatory →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *