Joining of a Leader in India into a New Party

Joining of a Leader in India into a New Party Should Be Stopped After Winning Election- 10 Major Affect

Today we discuss why Joining of a Leader in India into a New Party Should Be Stopped After Winning Election. He may be an MLA or an MP. ভোটে জেতার পর আপনি দল ত্যাগ করতেই পারেন। দলের মতাদর্শগত বিভেদ হতেই পারে। আপনি সেই রাজনৈতিক দলে নাও থাকতে পারেন। বিতর্ক হতে পারে। অবশেষে বিরুদ্ধাচারণ এবং পরবর্তীতে দল ত্যাগ করতে বাধ্য হতে পারেন। অথবা তাদের প্রটোকল ভাঙ্গার জন্য আপনাকে দল ত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারে। কিংবা বহিষ্কার ও করতে পারে। তখনও পর্যন্ত কিন্তু আপনি এমএলএ/এমপি হিসেবে থাকবেন। আমাদের এতে আপত্তি থাকার কথা নয়। পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত।

কিন্তু এসব কিছু ঘটনার জন্য আপনি দল ত্যাগ করলেন। দল আপনাকে সেই দল ত্যাগ করতে বাধ্য করলো আর আপনি বাক্স-পেটরা নিয়ে অন্য দলে নাম লেখালেন। নতুন দলে জায়গা করে নিলেন। নতুন দলও আপনাকে স্থান দিল। উপরন্তু যেহেতু আপনি বেশ বড় ধরনের প্রভাবশালী নেতা, এমএলএ/ এমপি তাহলে তো নতুন দলে বেশ উঁচু পদে আসীন হলেন। আত্মতৃপ্তির হাসি হাসলেন। আনন্দে আগামী দিনগুলোর জন্য পরিকল্পনা করতে লাগলেন।

এ ধরনের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের রাজনৈতিক আবহাওয়াই আমরা দেখি। হজম করি। গা সওয়া হয়ে যাওয়া সাধারণ ঘটনার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতান্ত্রিক দেশ সকলেরই অধিকার আছে মত প্রকাশের। অধিকার আছে দল পরিবর্তন করার। নতুন দলে প্রবেশ করার। সে করতেই পারেন। কিন্তু প্রশ্ন ভোটে জেতার পর দল পরিবর্তন এবং নতুন দলে প্রবেশ করা কতটা যুক্তিযুক্ত? কতটা মানবিক? কতটা বিবেক ও কতটা আইনসিদ্ধ?

ভোটে জেতার পর দল ত্যাগ করে নতুন দলে প্রবেশ করা রাজনীতি এবং অর্থনীতি ও সমাজে কতটা প্রভাব পড়ে একটু খোঁজার চেষ্টা করি।

এখানে আমরা তিনটি নাম দিয়ে বোঝার চেষ্টা করব। ধরা যাক ক বাবু জেতা এমএলএ/ এমপি। খ নামক একটি পার্টির পক্ষ থেকে জিতেছেন। আর গ হলো অন্য একটি পার্টি।

কোন একটি এলাকায় ক বাবু ভোটে দাড়িয়ে ছিলেন। সেই এলাকার মানুষ ক বাবুকে ব্যক্তিগত ভাবে যেমন জানেন চেনেন, তেমনি পার্টির ওপর যথেষ্ট আস্থা রাখেন। পার্টির পক্ষ থেকে নানান প্রতিশ্রুতি এবং অর্থনৈতিক সামাজিক উন্নয়নের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই এলাকায় মানুষজন বিশ্বাসের উপর ভর করে ক বাবুকে খ পার্টিকে জেতায়। এবার সেই এলাকার উন্নয়ন আটকায় কে?

এদিকে কোন একটি অথবা একাধিক কারণবশত খ বাবু সিদ্ধান্ত নিল খ পাটি পরিত্যাগ করবেন এবং করলেন। তিনি সেই এলাকার মানুষের ভোটে জিতলেন। দলত্যাগ যে করবেন সেই এলাকার মানুষকে জিজ্ঞাসা করলেন? জনগণের সেবক সেই এলাকার সমস্ত মানুষকে সেবা দেওয়ার কাজে নিজেকে নিয়োগ করেছেন। এখন সেই জনগণের বিনা অনুমতিতে প্রতিশ্রুতি একবর্ণ পূরণ না করে তাদের বুকে লাথি মেরে দল ত্যাগ করে নতুন দলে নাম লেখালেন।

Why Joining of a Leader in India into a New Party Should Be Stopped After Winning Election-

সার্বিক উন্নয়নের ফান্ডে শূন্য দিয়ে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য নেতা দেশ সেবার কাজে নিজেকে নিয়োগ করার এক ছলনাময়ী যুক্তিকে ঢাল তৈরি করে সার্বিক ক্ষতির বহর বাড়িয়ে চলে। এরা প্রকাশ্যে নিজেকে জনগণের সেবক বলে দাবি করে। অন্যদিকে মুখোশের আড়ালে চলে আখের গোছানো পরিকল্পনা। এসব দলের সাধারন ঘটনা হলেও এক অসাধারণ ভয়ঙ্কর কৌশল। কিন্তু সেই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কেবল বাধা নয় বরং সমগ্র দেশের সার্বিক ক্ষতির সম্ভাবনাকে কয়েকযুগ পিছিয়ে দেওয়ার সমান।

উন্নয়ন তো দূরের কথা সার্বিক ক্ষতির বোঝা এতই বেড়ে যায় শুধু সেই এলাকা নয় সমগ্র দেশের ওপর তার প্রভাব পড়ে। 

Joining of a Leader in India into a New Party Affects a Greater Field-

দেখা যাক ক্ষতির দিক গুলি কি কি? ক্ষতির দিক গুলি কে দুই ভাগে বিভক্ত করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা 1- মানবিক/মানসিক ক্ষতি, 2- আর্থিক ক্ষতি। এই দুই ক্ষতি শেষ পর্যায়ে এসে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষতির সীমানাকে প্রসারিত করে।

1- মানবিক ও মানসিক-

মানবিক ক্ষতিগুলো সবই মনস্তাত্ত্বিক। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস অবিশ্বাস মূল্যবোধ প্রেম ভালবাসার উপর সাংঘাতিক প্রভাব ফেলে। তর্ক বিতর্ক বাক বিতণ্ডা এবং অবশেষে হাতাহাতি থেকে অনূকদূর গড়ায়। বহু ক্ষেত্রে দেখেছি পারিবারিক স্তর থেকে পাড়া-প্রতিবেশী ছাড়িয়ে সুদূর প্রসারিত এক দম বন্ধ করা গম্ভীর পরিবেশ তৈরি করে।

2. বিশ্বাসঘাতকতা-

বিশ্বাস-অবিশ্বাসের বিষয়টি নেতার ওপর ব্যক্তিগত স্তর থেকে দলীয় জোটের প্রতি অবিচল থাকার চেষ্টা করা হয়। যিনি ভোটদাতা তিনি নেতা মানুষকে বিশ্বাস করে ভোট দিতে পারেন অথবা দলটিকে বিশ্বাস করে ভোট দিতে পারেন। পরবর্তীতে কোনো কারণে ব্যক্তি যে তার দল পরিত্যাগ করলে ভোটদাতারি দিশাহীন হয় পড়ে। কার ওপর বিশ্বাস করেছিলেন দলের উপর, না ঐ নেতাটির উপর? নিজে ঠিক করতে পারেন না। অবশেষে নিজের প্রতি বিশ্বাসকে আর বিশ্বাস করতে পারেন না।

ভবিষ্যতের প্রশ্ন চিহ্ন- যেকোন দলের উপর যে কোন ব্যক্তি নেতার ওপর, গণতান্ত্রিক পদ্ধতির উপর ধিক্কার ও অনিচ্ছাসত্ত্বেও আশাভরসা আস্থাহীন নিরাপত্তা ভুগতে থাকেন। হয় পরেরবার ভোট দিতে যান না অথবা ভিতর সন্ত্রাসের ভয় অনিচ্ছাসত্ত্বেও ভোট দিয়ে আসেন। বিশ্বাসঘাতকতা সত্ত্বেও বিশ্বাসঘাতকদেরই জয়জয়কার সুনিশ্চিত হয়। যা ভবিষ্যতের অন্ধকার গাঢ় থেকে গাঢ়তরো করে।

3. মূল্যবোধের হত্যা-

জনগণ কেবল নেতা বা সেই দলকে বিশ্বাসই করে না, উল্টো দিকে সেই নেতাক ভেবে দেখা উচিত এই বিশ্বাসের মর্যাদাকে। তাকে ভোট দিয়ে জেতানো হল তারপর বিশ্বাসের মর্যাদায় ছুরিকাঘাত করে দল ত্যাগ ও তুলনায় অধিক ব্যক্তিগত লাভের জন্য অন্য দলে গমন। মূল্যবোধ একজন নেতার আদর্শ আচরণ, সমাজের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে যায়। যাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করেন সাধারণ জনগণ। এদের মূল্যবোধ এবং সমগ্র সমাজ যদি সত্যি সত্যি অনুসরণ করে তাহলে আগামী দিনে মূল্যবোধের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য পাল্টে যাবে।

4.গণতন্ত্রের প্রতি অনাস্থা-

এ ধরনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। মানুষ দেখছে, সবই বোঝে। তবু ভোটের সময় ঝড় থামার আশায় আবার ভোট দিতে যায়। এখনো মনে হয় গণতন্ত্র নেতা মন্ত্রী সরকারের ওপরে থিম আশাটুকু জিইয়ে রেখেছে। যদিও অনেক নেতা নেত্রী দলত্যাগ করেই হোক আর দলে থেকেই হোক জনগণের বুকে ছুরিকাঘাত করতে দ্বিধা করে না। কিন্তু একদিন তো এর পরিসমাপ্তি ঘটবে। কতদিন আর বিশ্বাসঘাতকদের প্রশ্রয় দিয়ে যাবে জনগণ, গণতন্ত্রের প্রতি আইনের প্রতি সরকারের প্রতি বিশ্বাস আস্থা রাখার জন্য। অবশ্যই এই ধরনের স্বার্থান্বেষী অভিনেতা এমএলএ/ এমপিদের সারা জীবনের মতো জনগণের সেবা করার ভুয়ো কাজ থেকে বহিষ্কার করা উচিত। নতুবা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা অবশ্যই তলানিতে ঠেকবে। আর এর সঙ্গে যুক্ত সমস্ত পদ্ধতির মধ্যে ভুল গুলো আরো প্রকট হয়ে জনমানষে হাসির খোরাক হবে।

5. সন্দেহ প্রবণতা-

এ ধরনের নেতাদের জন্য ভবিষ্যতে নেতাদের প্রতিও জনগণের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হবে। নবীন নেতা অনেক আশা ভরসা নিয়ে জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োগ করার মানসিকতা নিয়ে আসবে। কিন্তু জনগণ প্রতিমুহূর্তে তাকে সন্দেহের চোখে দেখবে। এই বুঝি আগের মতো বুকে পদাঘাত করে চলে গেল। সন্দেহ অমূলক নয়। পূর্বসূরীদের অনেকে অনুসরণ করে- এ সত্যকে অস্বীকার করা যায় না। ভালো মন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবার সম্ভাবনা। সেখান থেকে কাকে ভরসা করবে তার উত্তর খোঁজা দুরূহ হয়ে পড়বে।

6. অর্থনৈতিক ক্ষতি-

আর্থিক ক্ষতির দিকটি রুটি-রুজির সাথে সরাসরি যুক্ত। আমরা জানি একটি নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। সরকারি ফান্ড ইলেকশন কমিশনের দ্বারা অর্থ ব্যয় করে। নেতাদের জেতা এবং তারপর স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে নতুন দলে প্রবেশ। যে পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয় তা কেবল সরকারের নয় সমগ্র জনগণের উপর তার প্রভাব পড়ে।

আর্থিক ক্ষতির অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যা সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে সমাজকে অনেকটা পিছিয়ে দেয়।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি-

যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি তা মেটাবার দেশের সরকারকেবিভিন্ন দ্রব্যের উপর কর ধার্য, কর বৃদ্ধি করতে হতে পারে। আর দ্রব্যের উপর কর চাপানো অর্থেই তা দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করে। বর্ধিত মূল্য জনগণকে মেটাতে হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য না কিনলে উপায় নেই। কোন দুর্দশার দিকে সমাজকে যেতে হয় তা অবর্ণনীয়। স্বার্থান্বেষী নেতাদের তাতে কিছু যায় আসে না।

সরকারি প্রকল্প সাময়িক স্থগিত-

বিজয়ী এমএলএ/এমপি দল ত্যাগ করার পর নতুন দলে স্থান পাওয়ার সাথে সাথে তার হাত দিয়ে উন্নয়নের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ তা স্থগিত হয়ে পড়তে পারে। সরকার ওই নেতার ওপর ভরসা করতে পারে না। আমলারাও সেই অর্থ বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পারেন।

প্রত্যেক এলাকার উন্নয়নের জন্য এমএলএ/এমপি দের মাধ্যমে খরচ করার জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে। সেই অর্থ ব্যয় স্থগিত থাকতে পারে এবং এলাকার উন্নয়ন ব্যাহত হয়।

এলাকার জনগণের জন্য বিভিন্ন সার্টিফিকেট ইস্যু বন্ধ হয়-

বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এমএলএ/এমপি দের কাছ থেকে সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। পরিচয় পত্র, সার্টিফিকেট বা ইনকাম সার্টিফিকেট অথবা বিশেষ কোনো রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য এমএলএ/এমপিদের সুপারিশের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। জনগণ সেই এলাকার এম এর এ/ এমপিকে জেতাম কিন্তু এমএলএ/এমপি দল ত্যাগ করার পর তার খোঁজ পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। অথবা তার অসহযোগিতায় জনগণ ভোগ করবে। জনগণের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

পুনঃ নির্বাচনের জন্য পুনরায় অর্থহানি-

বিজয়ী নেতার দল ত্যাগ করে নতুন দলে নাম লেখানো সাথে সাথে জনগণ বা  পার্টিগুলির কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জমা করতে পারে পুনর্নির্বাচনের। নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী নির্বাচনের অনুমতি ব্যবস্থা করতে থাকে। ফলস্বরূপ পুনরায় অর্থ বরাদ্দ অর্থ ব্যয়। সেই অর্থের ঘাটতি সরকার জনগণের কাছ থেকেই পূরণ করে। সাধারণ মানুষ যে নেতাকে পার্টি ত্যাগ করতে বলেনি। তার  অবিবেচনার ফলস্বরূপ জনগণই অবশেষে দুর্ভোগে পড়ে।

সময় নষ্ট-

নির্বাচনের আগে-পরে মানসিক টানাপোড়েন প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে জনগণসহ আমলা সরকারি দপ্তর অন্যান্য সমস্ত কাজকর্ম শিকেয় তুলে কেবলমাত্র নির্বাচনের জন্য যে সময় ব্যয় হয় তা কোনভাবেই ফিরে হবার সম্ভাবনা থাকেনা। এলাকায় সামগ্রিক উত্তেজনা সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রস্তুতির মানসিক টানাপোড়েন, সময়ের সদ্ব্যবহার বাধার সম্মুখীন হয়। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার জন্য বেশ কিছু দিন লেগে যায়।

পুনরায় আবার নির্বাচন। ঠিক সে রকম ভাবে এলাকার সমস্ত মানুষ অফিস-আদালত সময়কে নষ্ট করে। এর সঙ্গে বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন পুলিশ প্রশাসন মিলিটারি বা ভোট কার্যে অংশগ্রহণকারী ভোট কর্মীদেরও সময়ের অপব্যবহার রোধ করা একেবারে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

বিজয়ী এম.এল।এ/এম.পি দের দল পরিবর্তন বন্ধ হোক । Should be stopped after winning election-

যদিও anti-defection আইন আছে। এক্ষেত্রে শুধু সরকারই নয়, আদালত এবং নির্বাচন কমিশন আয়ারাম গয়ারাম বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষতির দিক পর্যালোচনা করে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। কিছু কিছু নেতা সরকার পরিচালনা, নির্বাচন, জনসেবা ইত্যাদি গুলিকে পুতুল খেলার মত ব্যবহার করে। সাধারণ জনগণ সত্যি কি আইনি জটিলতা বোঝেন? তাদের অত জটিলতা বোঝার মত সময় থাকলেও, বোঝার মত মানসিক শক্তি নেই। তারা শুধু সহজ-সরল ভাবে তাদের সামগ্রিক উন্নয়নের ভরসা ও পূর্ণতাপ্রাপ্তি আশা করে। আর কিছু না। স্বার্থপর নেতারা জনগণের ভোট দেওয়া, আশা ভরসা, আর্থিক ক্ষতি, উন্নয়ন, সার্বিক মঙ্গল ইত্যাদির প্রতি কোনো গুরুত্ব দেয় না। এ এক ভয়ানক ছেলে খেলা। 

আরো পড়ুন- পেট্রোলের মুল্য বৃদ্ধি
বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রতি আকর্ষন
সংরক্ষণের ভালো-মন্দ
গরিবি হঠাও স্লোগান

আমরা আশায় থাকলাম ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে। এ ধরনের স্বার্থান্বেষী, ভয়ঙ্কর মানসিকতা পরিবর্তনের আশায়।

pmehatory

Hi I am Prabhat, Prabhat Mehatory. I am PG, interested in Technology and Blogging. Like to read and inspired from there try to write something whatever I gathered from learning and experiences.

View all posts by pmehatory →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *