How to Live Happy Life

How to Live Happy Life Best in Parliamentary Democracy after 75 Yrs | সংসদীয় গণতন্ত্র- সুখ শান্তি

Parliamentary Democracy প্রকৃতপক্ষে কিভাবে শান্তিময় জীবন যাপন করতে(How to live happy life) সাধারণকে সাহায্য করে? এর উত্তর কোনোভাবেই 100% মানুষ শান্তিময় জীবন যাপন করতে পারে না বর্তমান Parliamentary Democracy – এর জন্য। যদিও দেশের জনগণ পর্লামেন্টারি কনস্টিটিউন্সি টিকিয়ে রাখার এক উল্লেখযোগ্য আধার। তথাপি কিছুতেই সিস্টেম কখনো নিশ্চিত করে না how to live happy life best.

আমরা প্রথম অনুচ্ছেদেই হয়তো সকলেই তেড়ে আসবেন। হয়তো গালিগালাজ বা তার চেয়েও অনেক বেশি আঘাত পেতে পারি। কিন্তু প্রকৃত সত্য এটাই। পৃথিবীর সমস্ত দেশেই যেখানে এই পদ্ধতি চালু আছ, দেশের সমগ্র জনগণ একই ভাবে অর্থনৈতিক সুখ ও শান্তির জীবন যাপন অংশিদার নয়। হতে পারেনা। একশ্রেণীর মানুষ বেশিরভাগ অংশ কুক্ষিগত করে রাখে। বাকি বেশিরভাগ মানুষ যারা সংখ্যায় অনেক বেশি তারা সমগ্র দেশের মধ্যে মাত্র 10% উপভোগ করে‌ জীবন অতিবাহিত করে‌। অনেকে বলবেন এতো পুরনো কথা। এটি অতি পুরনো এক পদ্ধতি এবং বর্তমানে সাদরে আমন্ত্রিত ও পরিচর্যিত। প্রবহমানতা স্রোতে চলতেই থাকবে। যদি না সমাজের বেশিরভাগ মানুষ এ নিয়ে সচেতন না হন। নিজের অভাব সমস্যা নিয়ে সামনের সারিতে না আসেন।

What is Parliamentary Democracy and Constitution?

Parliament, Constitution, Democracy এই শব্দ  গুলির সাধারণ ধারণা বা এর চেয়েও অনেক বেশি ধারণা আপনাদের রয়েছে। Parliament এর বাংলা- সংসদ। সংসদ তৈরি হয় নাগরিক দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা। যে প্রতিনিধি প্রথমে নেতা, তারপর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসেন। ভারতের পার্লামেন্ট কেন্দ্রীয় ভাবে দুই ধরনের কক্ষ- নিম্নকক্ষ লোকসভা ও উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা। তারা লোকসভা নির্বাচিত হয় তারা এমপি বা মেম্বার অফ পার্লামেন্ট এবং রাজ্যসভার প্রতিনিধিরাও এমপি হিসেবে পরিচিত। তবে রাজ্যসভার এমপিরা সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন না। কিন্তু লোকসভা নিম্নকক্ষের এমপিরা সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর লোকসভা নির্বাচন‌। লোকসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা/নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হন।

কনস্টিটিউশন-এর বাংলা হল সংবিধান। একটি রাষ্ট্র তার চরিত্র বৈশিষ্ট্য কেমন হবে, রাষ্ট্রপরিচালনার পদ্ধতি, নিয়ম-শৃঙ্খলা সবকিছুই সংবিধানের মধ্যে প্রতিফলিত হয়। এবং পদ্ধতিগুলি ব্যবহারের ধরন এবং কার্যকারিতা ফলাফলের উপর নির্ভর করে কখনো কখনো পরিবর্তনও সাধিত হয়।

অন্যদিকে রাজ্যগুলির সংসদ বিধানসভা ও বিধান পরিষদ দু’ভাগে বিভক্ত। তবে কোন কোন রাজ্যে বিধান পরিষদ নাও থাকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে শুধু বিধানসভা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন 5 বছর অন্তর অন্তর হয়ে থাকে। বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা/ নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র কেন? | Why India federal?

কেন্দ্রীয় সংসদ এবং রাজ্যের সংসদ ও মিলিত ভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিয়ম মেনে প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করাই হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় অন্যতম বৈশিষ্ট্য। রাষ্ট্র রাজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্র স্বাধীন আবার রাজ্যগুলিও স্বাধীন। কিন্তু সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই রাজ্য ও রাষ্ট্র পরিচালিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। এটাই যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার মূলমন্ত্র।

গণতন্ত্র কি? What is democracy?

ডেমোক্রেসি একটি সহজবোধ্য বাক্য হলোঃ- Democracy is of the people for the people and by the people। অর্থাৎ সংসদ বা রাষ্ট্র পরিচালিত হবে সরকার দ্বারা। আবার সরকার হলো জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা। অর্থাৎ যা কিছু ভালোমন্দ উচিত-অনুচিত মঙ্গল অমঙ্গল সবকিছু জনগণের সম্বন্ধীয়। জনগণ বলতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত, শিল্পপতি, চাকরিজীবী, ব্যবসাদার, আমলা, নেতা-মন্ত্রী সকলেই একই সুতোয় বাঁধা। কেউ কারো থেকে কম নয়, কেউ কারোর থেকে বেশিও নয়। কেউ কারো থেকে কম বা বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে না।।

এ সবার জানা বিষয়। এখন প্রশ্ন সত্যি কি ভারতের জনগণ সবাই সুখে শান্তিতে আছে? প্রত্যেকে একই সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে পেয়ে থাকে? এ প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আপনারা এর উত্তর জানেন। এর উত্তর হলো সকলে সমান ভাবে সুযোগ পায় না। অর্থাৎ জনগণ অসম জীবনযাপন করে‌। এটাই হল সংসদীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতন্ত্র- এর প্রধান ত্রুটি। কিভাবে মানুষ সুখ-শান্তিতে মিলিতভাবে একই মাত্রার জীবন যাপন করবে তারও কোনো সদুত্তর দেয় না। This system does not explain properly how to live happy life peacefully.

আসলে ধনতান্ত্রিক পদ্ধতিকে(system of capitalism) সুচারু ও বৈধভাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশস্ত করে মাত্র। ধনের অসম বন্টন কেউ মর্তের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী করার এক কঠোর পদ্ধতি। তাই জনগণের মধ্যেও ধন আহরণ ও সঞ্চয় প্রবণতাও চোখে পড়ার মতো। যে যা পারে যেখান থেকে পাবে কখনো বৈধ বা অবৈধ(রাষ্ট্রের ভাষায়) ভাবে প্রত্যেক জনগণই ধনসম্পত্তি যোগার ও বৃদ্ধি করার প্রবণতা যুক্ত থাকে। কিন্তু কখনো সাম্য আসেনা বা আস্তে পারেনা। কবিগুরুর ভাষায় বলতে হয়- ‘ধনের ধর্মই হলো অসাম্য।’ All political parties are same according to their activities-

রাজনৈতিক দলগুলো আমরা সাধারণত দু’ভাগে ভাগ করে থাকি। যথা- 1.Rightist ও 2.Leftist

1.Rightist-

Rightist অর্থাৎ দক্ষিণপন্থী ড ডানপন্থী। সরাসরি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কুক্ষিগত করে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বভার সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় সরাসরি অংশগ্রহণ এবং শোষণ, অসম ধর্ম বণ্টনকে মদত দেওয়াই  এদের কাজ। সেই অর্থে ধধবান বা বিত্তবান শিল্পপতিদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে সংসদীয় কার্যপ্রণালিকে বহাল তবিয়তে পালন করে। যদিও এরা জনগণের ভালো-মন্দ দেখাশোনার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়, কিন্তু সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করার রাস্তা থেকে বারবার বিচ্যুত হয় বা অন্য কথায় বলতে হয়- করা যায় না সম্ভব নয়।

2.Leftist-

বামপন্থী- এ ধরনের দলগুলির সংসদে বা রাজার আসনের বামদিকে বসবে। জনগণের সুযোগ-সুবিধা বা সুখ-স্বাচ্ছন্দ উন্নতির জন্য রাজ্য পরিচালনায় রাজার কার্যপ্রণালীর সমালোচনা এবং ভুল ত্রুটি গুলির সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপরিচালনাকে সহযোগিতা করা। কোনভাবেই সরাসরি রাষ্ট্রপরিচালনার কার্য অংশগ্রহণ করবে না। বরং বিরোধিতায় দেশ নীতিগত বৈশিষ্ট্য। এরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। এদের উদ্দেশ্য হল সর্বহারা মানুষের সঙ্গে থেকে সর্বদা মানুষের সর্বোত্তম জীবনযাপনের সাহায্য ও তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে।

কিন্তু সত্যিই কি তাই হয়? বর্তমান যুগে ভারতে যে সমস্ত বামপন্থী দল আছে তারা কি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না? যেদিন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ সেদিন থেকেই ডানপন্থী বামপন্থী একাকার হয়ে একটি পন্থা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তা হলো ধনপন্থী। অর্থাৎ ধনতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার পন্থা। সমস্যার আংশিক সমাধানই এদের প্রত্যেকের মূলমন্ত্র। সম্পূর্ণ সমস্যা সমাধানের অর্থ-যাদের সমস্যা সমাধান হয়ে যাচ্ছে তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ভবিষ্যতে সেই ব্যক্তি সরকারের সাথে বা দল গুলির সাথে বা  নেতার সাথে কোন যোগাযোগই রাখবে না। অথবা নেতারা পরবর্তী নির্বাচনে কোনো ইস্যু পাবে না। যেটা সমাধানের প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাবে। এ সমস্ত ঘটনাবলী সকল বামপন্থী এবং ডানপন্থী সকলেরই একই পন্থা অবলম্বন।

Why public faith in Parliamentary Democracy?

সাধারণ মানুষকে যেভাবে বোঝান হয় সেভাবেই তারা বোঝে। আপনি বোঝালে তারা বুঝবে না। কারণ যার লোকবল, অর্থবল নেই তার কোনো বলই নেই। তার কথা কেউ কান দেবে না মূল্য দেবে না। নেতা-মন্ত্রীরা যখন দলবল নিয়ে মিটিং মিছিল অথবা বাড়িতে যায় সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত, কখনো কখনো অন্ধ ভক্তিতে সেই নেতা মন্ত্রীর উপর আস্থা রাখতে বাধ্য হয়। নতুবা বিপদের সম্মুখীন হওয়াও অমূলক নয়।

তাছাড়া সামান্য কিছু সাময়িক চাল-ডাল বা কিছু ভাতা পাইয়ে দিলেও জনগণ না পাওয়ার চাইতে অনেক বেশি পেয়েছে বলেও আস্থা রাখতে বাধ্য হয়। যেখানে ঢালাই রাস্তা সিমেন্টের তুলনায় বালির ভাগ কত বা লোডশেডিং বা ইউনিট পিছু বিদ্যুতের মূল্য, রেশনের চাল-ডালের গুণগত মান, পরিমাণের সামঞ্জস্য কতটা নির্ভরযোগ্যতা দেয়? নেতা মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি আগামীতে তাদের চাহিদা অবশ্যই মেটাবে। তাই আগামীতে ভালোর আশায় পুনরায় নির্বাচন ও নির্বাচিত করণ।

বেকার যুবকদের চাকরি দিতে হবে, দেওয়াও হয়, কেননা সরকারি কাজ পরিচালনার জন্য সরকারি লোক প্রয়োজন। কোন নেতার দ্বারা সে কাজ হয় না। তাছাড়া নেতার চাহিদা চাকরিতে মিটবে না। চাকরির সীমাবদ্ধ রোজগার। কিন্তু নেতার রোজগারের সীমা-পরিসীমা নেই। তাছাড়া যোগ্যতা, পড়াশোনা ডিগ্রি পাতি নেতার ঝুলিতে কিছুই নেই। অতএব শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি হবে। এখানেও আংশিক সমাধান। সম্পূর্ণ নিয়োগ হয় না। সকলের নিয়োগ হয় না। তাছাড়া ঘুষ আছে, স্বজনপোষণ আছে, কত রকম কাণ্ড। সম্পূর্ণতা দেবে আগামীর ভোট। তাই জিইয়ে রাখো সমস্যা।

এসবই সাধারণ কথা। সকলের জানা। সোজাসাপ্টা মিথ। এতে কোন জল নেই। কোনো কারচুপিও নেই। মানুষ বোঝে। তবুও যেটুকু পাওয়া যায়, সেটুকু লাভ বলে পুনরায় ভোটে আস্থা, সংসদ, গণতন্ত্রে আস্থা। ভোটে জেতার পর সেই নেতাকেই প্রশ্ন করলে জেল-জরিমানা, মাওবাদী, এমনকি দেশদ্রোহিতার তকমা। ভয় গ্রাস করে মনে। তাই মুখ বন্ধ। চলতে থাকে এই পদ্ধতি। আর প্রতি প্রকল্পের কাটমানি রিভার্স হয়ে ধন বৃদ্ধি করে নেতা মন্ত্রীদেরই। তাছাড়া একজন নেতা মন্ত্রীর ধন 5 বছরে 300 শতাংশ বৃদ্ধি পায় কি করে? জনগণ সবই বোঝে। তবু আস্থা রাখে Parliamentary Democracy-তে।

অতএব জেনে-বুঝেও জনগণ কিন্তু কাঠের পুতুল। কিছুই করার থাকেনা। একজোট হতে পারেনা। প্রতিবাদে সামিল হতে পারেনা। ক্ষমতা নেই। লোক বল নেই। অর্থ নেই। চলতে থাকে সিস্টেম parliamentary democracy।

তাহলে উপায়- How to live happy life best?

এ সিস্টেম Parliamentary Democracy-র মধ্য দিয়ে আসতে পারে আংশিক সমাধানের পথ। নেতা-মন্ত্রী সরকারের মধ্যে নতুন করে ভাবনা রোপণ করা যেতে পারে।

[When the political parties will realise that large number of people are expressing their disapproval with the candidates there will be a system change and the political parties will force to accept the will of the people and field candidates who are known for the integrity (emphasis added)]

2013 সালের 27 শে সেপ্টেম্বর People’s Union for Civil Liberties vs union of India-র মধ্যে একটি কোর্ট কেস হয় সুপ্রিম কোর্টৈ। কেসের বিষয়গুলি বিষয় ছিল নাগরিক ভোট দেবে কিন্তু কোন প্রার্থীকে পছন্দ না হলে কি করা যাবে? সুপ্রিম কোর্ট 29 অক্টোবর 2013 সালে রায় দেয়- প্রতিটি ভোটে যেখানে ইভিএম ব্যবহার করা হয় সেখানে সবার শেষে NOTA বাটনটি যোগ করতে হবে। যেকোনো নাগরিক/ভোটার ভোট দিতে পারবেন এবং তার প্রাইভেসিও বজায় থাকবে।

পূর্বে ব্যালটে কোন ছাপ না দিয়েও ভোটার ভোট থেকে বেরিয়ে আসতে পারতো। অর্থাৎ তার কোনো প্রার্থী বা পার্টিকে পছন্দ করছেন না বোঝা যেত। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত ইভিএমে এ ধরনের ব্যবস্থা ছিল না। 29/10/2013 তারিখে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ECI EVM-এ NOTA বাটনটি ব্যবহার করতে থাকে।
তবে এই বাটনের সমস্যাগুলো পরবর্তীতে কিছু কিছু পরিবর্তন হতে থাকে।

প্রশ্ন- যদি ক্যান্ডিডেটদের তুলনায় নোটার ভোট সংখ্যা বেশি হয়, তাহলে পুনরায় সেই কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ হবে। এক্ষেত্রে সমস্যা হলো পার্টি যদি পুনরায় আবার সেই ক্যান্ডিডেটদেরই নমিনেশন করায়, সে ক্ষেত্রে সমস্যা থেকেই যাবে।
এর সমাধানে বলা হয়- নাগরিকদের সামনে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়নতা, বিশ্বাসযোগ্যতার আনয়নের জন্য পার্টি গুলি ক্যান্ডিডেটদের পরিবর্তন করতে বাধ্য থাকবে।
কিন্তু এরপরও ভোটের পরিমাণ বেশি হলে তার সমাধান কি হবে এখনো পর্যন্ত জানা নেই।

আর এখানেই এই সিস্টেম পরিবর্তনের জন্য রাষ্ট্রপরিচালনায় বা মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের ভাবনার অবকাশ থেকে যায়। আর এই অবকাশ কেবলমাত্র নাগরিক/ভোটাররাই আনয়নে বাধ্য করতে পারে। কারণ parliamentary democracy-র খাতিরে নাগরিকদের ভোটারদের অধিকার থাকা উচিত। রাষ্ট্রশাসক, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকে পদ্ধতিগত পরিবর্তনে ভাবনার জন্য আবেদন করা।

Read More-

একথা বলা আবশ্যক নোটার জন্য মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায়কে কোন পার্টি প্রাথমিকভাবে সুনজরে দেখে নি। তারা অল্প হলেও প্রতিবাদ করে। এক্ষেত্রে সকল পার্টি নীতিগতভাবে একই ধর্ম পালন করে। কারণ সকলেরই সম্পত্তি বৃদ্ধির পথ বন্ধ হবার উপক্রম হতে পারে। এই দুশ্চিন্তায় তারা নোটা কে ভালো চোখে দেখবে না স্বাভাবিক।

এখানে ভোটারদের ভাবা উচিত পদ্ধতিগত পরিবর্তনে কি করনীয়। আর কি করনীয় নয়। আবার মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট এও বলে যে- নোটার জন্য কেউ প্রচার করতে পারবেনা। কেননা এতে হিংসা বৃদ্ধি পাবে।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়। অন্যান্য পার্টিগুলির ভোট প্রচার বা নির্বাচন পরবর্তীতে কোন হিংসা ছড়ায় না’কি? মারামারি, ঝগড়া ঝাটি, বুথ ক্যাপচার, এজেন্টদের মধ্যে বচসা, ভোট পরবর্তীতে তাণ্ডব কোন কিছু দুর্ঘটনা কি ঘটে না?

আমরা এই দুর্ঘটনা বা সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি পাব কিভাবে? এর উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। আপনারাও উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। উত্তর জানান ইনবক্সে। ধন্যবাদ।

Disclaimer- This Post is for Educational Purposes only, not for any Political influence. Neither it supports any type of Violence, nor creates any unpleasant situation. Nothing dishonor is represented through this writing to any Political leader, Minister or any Institution of the Nation.

pmehatory

Hi I am Prabhat, Prabhat Mehatory. I am PG, interested in Technology and Blogging. Like to read and inspired from there try to write something whatever I gathered from learning and experiences.

View all posts by pmehatory →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *