cmc vellore

Experience of CMC Vellore- one of the best Hospital in India in Bengali | CMC Vellore(Ranked 2-5 in Indian Hospitals) এর অভিজ্ঞতা

CMC Vellore-কে কেন আমরা One of the best hospital in India বলবো? বিভিন্ন ব্লগ থেকে ভারতের উল্লেখযোগ্য হাসপাতাল সার্চ করলে প্রথমেই যেটা আসে তা হল AIMS. কেউ কেউ cmc-vellore কে সেকেন্ড অথবা থার্ড-এ রেখেছেন। তবে সমস্ত ব্লগ সাইট গুলি CMC Vellore কে 1 থেকে 5 এর মধ্যে রেখেছে। যেখানে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের কোন হাসপাতাল/মেডিকেল কলেজগুলোর স্থান নেই। সে তুলনায় সি এম সি ভেল্লোরের চিকিৎসা(treatment of cmc vellore) বেশ উন্নত।

আপনারা হয়তো বলবেন বাঙালি হয়ে কেন বাংলার বদনাম করছেন। কলকাতায় কি কোন ভালো হসপিটাল নেই? আমি বলবো বাঙালি হয়ে আমি গর্বিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সত্যটি মিথ্যা দিয়ে চাপা দেব। কলকাতায় অনেক ভালো ভালো সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল আছে। এমনকি দুর্গাপুর বর্ধমান এর মত জায়গাতেও অনেক উন্নত মানের হাসপাতাল আছে। কিন্তু একটা সার্ভে আপনারা করতে পারেন, সত্যিই বাঙালিরা বাংলায় চিকিৎসা নিয়ে সন্তুষ্ট কি’না। কেন পশ্চিমবঙ্গের একটা হাসপাতালও One of the Best Hospital in India নয়। হ্যাঁ SSKM যথেষ্ট ভালো হাসপাতাল। কিন্তু ভারতের মধ্যে অবস্থান কোথায়?

আমার এই পেজের নিচে একটি সার্ভে বাটন আছে প্রশ্ন আছে। আপনারা উত্তর ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ তে দিতে পারেন। অথবা কমেন্ট করেও বিস্তারিত জানাতে পারেন।

আসুন আসা যাক CMC Vellore এর চিকিৎসা পদ্ধতির খুঁটিনাটি বিষয়ে। CMC Vellore কিভাবে তৈরি হলো, কবে তৈরি হলো, এসব নিয়ে আপনারা যে কোন সাইট থেকে অনায়াসে জানতে পারবেন। তার ইতিহাস জানতে পারবেন। বর্তমানে আমি একজন সাধারন রোগী হিসেবে সামান্য কিছু অভিজ্ঞতা তুলে ধরবো। আপনাদের যদি কিছু উপকারে আসে ধন্য হব

Page Contents

CMC Vellore-এর OPD চিকিৎসা পদ্ধতি(Treatment of CMC Vellore of OPD)/ One of the Best Hospital in India

রোগ নির্ণয় CMC vellore- এর প্রথম একটি উৎকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য। তাছাড়া আরো বিভিন্ন কারণে এটি One of the Best Hospital in India। এর রোগনির্ণয় পদ্ধতি, চিকিৎসা পদ্ধতি, উন্নত যন্ত্রপাতি, প্রচুর ডাক্তার ও অন্যান্য স্টাফ, এডমিনিস্ট্রেশন, পরিচালনা এবং ইনডোর উন্নত পর্যায়ের চিকিৎসা ইত্যাদির কারণে One of the Best Hospital in India।

1. রোগ নির্ণয়/ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি-

ডাক্তাররা চূড়ান্ত ভাবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোন মতেই চিকিৎসা শুরু করবেন না। 100% নিশ্চিত না হলে রোগীকে, রোগীর আত্মীয় পরিজনকে কোন রূপ দ্বিধায় ফেলার জন্য কোনো রকম ভুল পরামর্শ ডাক্তাররা ভুলেও দেন না।

2. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন-

প্রথমেই রোগীর নামে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। সেটা বাড়িতে বসেই আপনি করতে পারবেন। cmcvellore.ac.in সাইটে গিয়ে মোবাইল ইমেইল দিয়ে রোগীর নামে রেজিস্ট্রেশন করাতে হয়। আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করে রাখলে অনেক সুবিধা আছে। যেমন আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী মাস তারিখ আপনার সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করতে পারবেন। তাছাড়া ডাক্তারের উপ্সথিতি, হাজিরা(Availability) আগে থেকে দেখতে পাবেন। ট্রেন বা ফ্লাইট এর টিকিট কাটার সময় এবং সিট এভেলেবেল পাবেন। কনফার্ম টিকিট পেতে পারেন।

3. কিভাবে CMC Vellore অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করবেন?

Online Registration বাড়িতে বসে-

www.cmcvellore.ac.in যেকোন ব্রাউজারে খুলুন। আপনার মোবাইল থেকেও আপনি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। নিচের ছবিটির মত পেজ ওপেন হবে। New Patient(First time to CMC)? বাটনটিতে ক্লিক করুন।

one of the best Hospital in India

New Patient(First time to CMC)? বাটনটিতে ক্লিক করার পর নিচের ছবিটির মত অন্য একটি পেইজ খুলবে। Terms and Condition box টি ক্লিক করার পর Proceed to Registration Form বাটনটিতে ক্লিক করুন।

one of the best Hospital in India

Proceed to Registration Form বাটনটিতে ক্লিক করার পর নিচের ছবিটির মত অন্য একটি Form পেইজ খুলবে। যথাযথ পূরণ করে এগিয়ে যান। আপনার আই ডি তৈরি হয়ে যাবে। আই ডি তৈরির পর আই ডি দিয়ে লগ ইন করতে পারবেন।

one of the best Hospital in India

সম্প্রতি CMC Vellore এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য একটি অ্যাপ চালু করেছে। আপনি প্রয়োজন হলে এটি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। Download CMC Vellore App from Play Store .

Offline । Online Registration ভেলোরে পৌঁছে-

আগে থেকে CMC Vellore Online Registration না করে রাখলেও ক্ষতি নেই। আপনি CMC Vellore পৌঁছেও নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। ISSCC বিল্ডিং এ গিয়ে ওখানে অফলাইন ফর্ম ফিলাপ করে রেজিস্ট্রেশন করাতে পারেন। অথবা সেল্ফ অপারেটেড অনলাইন মেশিনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। কোন অসুবিধা হবে না। ওখানকার কর্মীরা খুবই কো-অপারেটিভ। আপনাকে সাহায্য করবে।

ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট কিভাবে নেবেন-

রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনি আপনার ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী পছন্দের ডাক্তারকে বুক করুন। তিন ধরনের ক্যাটেগরি ডাক্তার পাবেন- আলফা ক্লিনিক, প্রাইভেট ও জেনারেল

 ক। আলফা ক্লিনিক– 1500 টাকা ফিজ। মোস্ট সিনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে আপনি কথা বলতে পারবেন এবং আপনাকে অনেক সময় দেবে।

খ। প্রাইভেট– বর্তমানে 700 থেকে 800 টাকা ভিজিট। এখানেও সিনিয়র ডাক্তাররা এবং প্রফেসররা আপনার সঙ্গে কথা বলবেন। আপনার কথা যতক্ষণ না শেষ হবে ততক্ষণ শুনেই যাবেন।

গ। জেনারেল- 200 থেকে 350 টাকা ভিজিট। অপেক্ষাকৃত জুনিয়ার এবং কম বয়সী ডাক্তার। তবে এনারা একসাথে দু-তিনজন বসেন। এদের কাছে দেখানোর একটা অসুবিধা মাঝে মাঝে সিনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করতে যান।

আপনাকে বলব রোগের ধরন অনুযায়ী ডাক্তারের ক্যাটেগরি ও ক্লিনিক পছন্দ করুন। খুবই জটিল রোগ হলে আলফা ক্লিনিকে যান। নতুবা অন্তত প্রাইভেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট করুন। সাধারণভাবে এমন কিছু সিরিয়াস না হলে জেনারেলে যে কোন ডাক্তারকে দেখিয়ে নিন। আপনার লোক্যালিটি যে কোনো ডাক্তারের তুলনা ওখানে ডায়াগনস্টিক অনেক উন্নত।

4. আগের দিন পৌঁছান ও ক্রিস কার্ড করান-

ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট হয়ে গেলে প্রিন্ট আউট নিয়ে নিন। ওখানে অন্তত অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগের দিন পৌঁছে যান। পারলে বিকাল তিনটের মধ্যে ISSCC বিল্ডিং এর 3 নং 4 নং কাউন্টারে Chrish কার্ড করিয়ে নিন। আগে 50 টাকা নিত। এখন লকডাউনের পর ফ্রিতে কার্ড করানো হয়। অ্যাপার্টমেন্টের প্রিন্ট আউট নিয়ে যান, কার্ড হয়ে যাবে। পারলে কার্ডে 2000 থেকে 5000 টাকা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী টপ-আপ ভরে নিন। ক্যাশও দিতে পারেন অথবা ডেবিট কার্ড থেকে টাকাটা দিতে পারেন। টপআপ ভরা থাকলে একটু সুবিধা হবে।

টপআপ না ভড়াতে পারেন। তবে ক্রিসকার্ড বাধ্যতামূলক করেছে CMC Vellore।

5. অ্যাপয়েণ্টমেন্টের দিন-

অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রিন্ট আউট এ তারিখ ও সময় দেওয়া আছে। সে অনুযায়ী সময় মত নির্দিষ্ট বিল্ডিং এর সামনে লাইন দিন। কিন্তু দু মিনিটের মধ্যে সিকিউরিটি আপনার হাতে রঙিন ব্যান্ড পরিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেবে। এই মুহূর্তে n95 না হলে অবশ্যই সার্জিক্যাল মাস্ক পড়ে যাবেন। মাস্ক ছাড়া কোনো মতে আপনি এই মুহূর্তে সিএমসি প্রবেশ করতে পারবেন না। কোন রকম কাপড়ের মাস্ক অ্যালাউ করবে না।

নির্দিষ্ট ফ্লোরে নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্টের MRO কাউন্টার অ্যাপয়েন্টমেন্ট Print Out নিয়ে দাঁড়ান। আপনাকে টোকেন নাম্বার ও রুম নাম্বার দিয়ে দেবে। অপেক্ষা করুন ডিসপ্লের দিকে তাকিয়ে অথবা কান খোলা রাখুন আপনার নাম অথবা টোকেন এবং কোন রুমে যাবেন তা শোনার জন্য।

6. আপনি ও ডাক্তার মুখোমুখি-

ডাক্তারকে আপনার সুবিধা-অসুবিধা সমস্যা সময় ধৈর্য নিয়ে বলুন। যদি ইংরেজি জানেন ভাল। না জানলে অসুবিধা নেই। হিন্দিতে বলুন। হিন্দি না জানলেও কোন অসুবিধা নেই। বাংলাতে বলুন। হিন্দি বা ইংরেজি জানা কোন ব্যক্তি থাকলে সুবিধা হবে।
বাংলাতেই আপনার সমস্যার কথা বলুন। যতক্ষণ বলা শেষ না হবে ডাক্তার কিন্তু শুনতে থাকবেন। ডাক্তারের প্রশ্নের উত্তর দিন। মনে রাখবেন- আপনি যত সুন্দর স্পষ্ট ভাবে বোঝাবেন ডাক্তারের পক্ষে রোগ নির্ণয় করতে সুবিধা হবে।

7. বিভিন্ন ধরনের টেস্ট-

অনেকের মতে সিএমসি ভেল্লোরে অনেক টেস্ট দেয়। একথা ঠিক। ডাক্তাররা সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিত না হলে কোন রকম সিদ্ধান্ত নেন না বা কোন উত্তর দেন না। তাই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী টেস্ট করাতে বলবেন।

কেন ডাক্তারের পরামর্শে আমরা Pathology Lab- এ যাই?

তাই আগে থেকেই সেদিন যদি সকালে খালি পেটে যান আপনার পক্ষে সুবিধা হবে। খালি পেটে ব্লাড টেস্ট দিলে সেদিনই স্যাম্পল দিতে পারবেন। তাড়াতাড়ি কাজ গোটাতে পারবেন।

8. টেস্টের জন্য টাকা জমা-

যদি কোন টেস্ট দেন তাহলে ওই ফ্লোরে ক্যাশ কাউন্টারে দাঁড়িয়ে পড়ুন। আপনার ডাক্তার লাল অথবা হলুদ রঙের স্লিপ দেবেন। সেখানেই লেখা আছে কি কি টেস্ট এবং নেক্সট অ্যাপয়নমেন্ট বা অন্য কোন ডিপার্টমেন্টে রেফার করেছেন কিনা।

ক্যাশ কাউন্টারে কাগজটা দেখালেই টাকা জমা দেবেন। আপনার ক্রিস কার্ডে পর্যাপ্ত টাকা থাকলে ওরা টাকা কেটে নেবে। নতুবা নগদ বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিতে পারেন। ক্যাশ কাউন্টার থেকে প্রিন্ট আউট গুলি নিন। ভালো করে দেখুন- কবে কোথায় কখন যেতে হবে? কি কি টেস্ট বা কবে আবার কোন ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট আছে? বা আজ যাকে দেখালেন তার এপ্যেন্টমেন্ট কবে আছে।

যদি সেদিনই কোন কাজ করার থাকে করুন। স্যাম্পল দেওয়ার থাকলে দিন। কোন টেস্ট থাকলে করান। না হলে হোটেলে যান। স্নান খাওয়া-দাওয়া করে বিশ্রাম করুন।

বন্ধুরা এরপর আরো অনেক কিছু বিষয় আছে। কিন্তু OPD সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা আপনি একদিন সিএমসি ভেল্লোরে থাকলেই সব বুঝতে পারবেন। টেস্ট বা ডাক্তারের ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী কখন কিভাবে কোথায় যেতে হবে। আপনার অভিজ্ঞতা তখন অন্যদের শেয়ার করবেন।

উপরের সবকটি বৈশিষ্ট্য আউটডোর পেসেন্টদের জন্য। ইনডোর পেসেন্টদের জন্যও এটি one of the best hospital in India।

9. হোটেল বুকিং-

হোটেল ভেলোরে গিয়ে ঠিক করুন। হোটেল খুঁজুন আপনার চাহিদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী। হোটেল পেয়ে যাবেন।

মন্দের দিক- একটাই মন্দের দিক, তা হল একটু সময় সাপেক্ষ চিকিৎসা পদ্ধতি। ধৈর্য ধরলেই আপনার রোগ প্রায় সারার মুখে।

মনে কোন দ্বিধা নয়। আপনি জানবেন সত্যি one of the best hospital in India-য় আপনি বা আপনার আত্মীয়ের চিকিৎসা করালেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *