ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে: এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে, জেনুইনলি কিভাবে অতি সহজে ঘরে বসে ১৫০০০ ২০০০০ টাকা রোজগার করা যায় তা বর্ণনা করা হয়েছে। যে কোন ব্যক্তি- একজন স্টুডেন্ট, অবসর যাপন করছেন এমন ব্যক্তি বা মহিলারা বাড়িতে সহজে রোজগারের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই ৯টি পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের উপায় গুলি।

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

(Disclaimer-লেখাটি সম্পূর্ণভাবে শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হচ্ছে।)

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

মূলত দক্ষতা নির্ভর কাজগুলির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে একথা অবশ্যই বলে রাখা দরকার কাজগুলির মধ্যে যদি দক্ষতা অর্জন করতে না পারেন, পেশাদারিত্ব না দেখাতে পারেন তাহলে উন্নতি করা সম্ভব হবে না। নিচের যেকোনো একটি অথবা একাধিক বিষয়কে ঘরে বসে আয় করার উপায় বা রোজগারের পথ হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

ঘরে বসে আয় করার উপায় ও আপনার দক্ষতা-

প্রতিটি মানুষ কোন না কোন দক্ষতার অধিকারী। একজন মানুষের অনন্য দক্ষতা অন্য মানুষকে থেকে তাকে আলাদা করে। আপনি যদি আপনার দক্ষতাকে চিনতে পারেন অথবা কোন কাজে আপনি পারদর্শী হতে পারেন, সে বিষয়ে যদি আপনার ধারণা থাকে, তাহলে সেই দক্ষতার উপর নির্ভর করে যে কোন কাজ করে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় Graphic designing, video editing, content writing, digital marketing। এমনকি memes তৈরি করেও রোজগারের পথ সুগম করা যায়।

  • মিমস তৈরি

আপনি যদি মিমস কোন হাইপ্রোফাইল ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে পাঠিয়ে দেন এবং আপনার মিমস যদি সিলেক্ট হয়, তাহলে সেই হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি বা বিজনেস ম্যান আপনাকে আপনার মিমের জন্য টাকা পাঠাবে। 

আপনি ট্রান্সলেটরের কাজও করতে পারেন। এর জন্য Fiverr বা Upwork ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং সাইটে আপনি আপনার প্রোফাইল তৈরি করে সারা বিশ্বের কাছে আপনার দক্ষতা প্রচার করতে পারেন। এবং এভাবে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে।

  • ড্রপ শিপিং-

অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট এবং মিসো বিভিন্ন ধরনের সাইট রয়েছে। যেখান থেকে আপনি ড্রপ সিপিং ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনার নিজস্ব কোন দ্রব্য নেই। অন্য কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির দ্রব্য আপনি মধ্যস্থতা করে কোন কাস্টমারকে বিক্রি করতে পারবেন এই পদ্ধতিকে ড্রপ শিপিং বলে।

অন্যভাবে বলা যেতে পারে, ধরুন আপনি কোন কোম্পানি বা প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন মিডিয়েটর হিসাবে। আপনি নিজে একটা কাস্টমার গ্রুপ তৈরি করেছেন। আপনার কাছে কাস্টমার রয়েছে। আপনি সেই পাবলিশার্স বা কোম্পানিকে বললেন নির্দিষ্ট ঠিকানায় একজন কাস্টমারকে ওই দ্রব্য পাঠিয়ে দিতে এবং কোম্পানির কাছ থেকে আপনি কমিশন হিসেবে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে।

ছাত্র-ছাত্রীদের প্রোডাক্ট হতে পারে, কসমেটিক্স প্রোডাক্ট হতে পারে, জামা কাপড় হতে পারে, কোন আর্ট হতে পারে। এখন অসংখ্য দ্রব্য ড্রপ শিপিং এর মাধ্যমে সারা বিশ্বের কাস্টমারের কাছে বিক্রি হচ্ছে।

  • অন্যদের কাজে সহায়তা করা-

আপনি কোন বিষয়ে পারদর্শী হলে আপনার লোকাল অথবা রিজিওনাল লেভেলে কিংবা জাতীয়, আন্তর্জাতিক স্তরে সে দক্ষতাকে নির্ভর করে অন্য লোককে সহায়তা করতে পারেন। একজন ছাত্র হতে পারে, একজন গৃহবধূ হতে পারে। তাকে টিউশনির মাধ্যমে সহায়তা করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 

ধরুন আপনি ভালো ইংরেজি বলতে পারেন। অন্যদেরকে আপনি ইংরেজি বলা শেখাতেও পারবেন। কোন প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন। অন্যদেরকে প্রোডাক্ট তৈরির কাজ শিখিয়ে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন‌। একটা নিজস্ব চ্যানেল তৈরি করে অথবা ব্লগ সাইটে বা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ভিডিও আপলোড করেও করা যেতে পারে।

এজন্য অসংখ্য অনলাইন প্লআটফর্মও রয়েছে। যেমন ক্যাম্বলি, চেগ, টিউটর্মি, টিউটর ডট কম ইত্যাদি। এই কাজটি ঠিক টিউটরশিপ না বলে, বলা যেতে পারে অন্যদের কাজের সহায়তা করা।

  • ডিস্ট্রিবিউশন বিক্রি-

এই কাজটিকে সিলেক্টেড মার্কেটিং বলা যেতে পারে। যে কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশনশিপ আপনি মার্কেটিং এর দ্বারা বিক্রি করতে পারবেন। ধরা যাক আপনার কাছে একটা গ্রুপ অফ অডিয়েন্স রয়েছে, ভিউয়ার রয়েছে। সেটা ইউটিউব চ্যানেল থেকে হতে পারে অথবা আপনার ব্লগ থেকে হতে পারে অথবা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হতে পারে। সেখানে ডিস্ট্রিবিউটরের লিংক যখন আপনি প্রোভাইড করবেন এবং সেই লিংকে ক্লিক করে যদি কোন ক্রেতা দ্রব্য কিনলে আপনিও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর একটি পার্সেন্টেজ পাবেন।

  • কোর্স তৈরি করা-

নিজে কাজের দক্ষতা ও সেই কাজের উপর কোর্স তৈরি করতে পারেন। একটি সম্পূর্ণ কোর্সের বিভিন্ন ছোট ছোট অংশ তৈরি করে, সেটি আপনার এলাকায় অনলাইনের মাধ্যমে অথবা জাতীয় স্তরে এপ্রোচ করুন। সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

vঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল অথবা নিজে কোন ব্লগ সাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে না পারেন, নিজে খরচা করতে না পারেন, তাহলে বিভিন্ন ধরনের সাইট রয়েছে যারা আপনার কোর্সকে প্রমোট করে। সেই জন্য প্রয়োজনে বিনিময়ে তারা আপনার কোর্স থেকে কিছু পারসেন্টেজ নেয়। যেমন গ্রাফি। এই সমস্ত সাইটে গিয়ে আপনি আপনার কোর্স তৈরি করতে পারেন। এখানে কুইজ, অ্যাসাইনমেন্ট, লাইভ ক্লাস ইত্যাদি বিভিন্ন ভাবে আপনার কোর্স তৈরি করার অনুমতি পাওয়া যায়।

  • অদ্বিতীয় নিজস্ব সম্পদ তৈরি করা-

এটি একটি অনন্য সাধারণ রোজকারের উপায়। ধরুন আপনি নিজেই এমন একটি কাজ জানেন, মা অন্য কোন লোক জানে না। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে আপনি লিখতে পারেন। অনন্য বিষয় নিয়ে বিষয় সৃষ্টি করা আপনার নখ দর্পণে। আপনি ই-বুক তৈরি করেন। ই-বুকের দাম খুব একটা বেশি হয় না। ২০-২৫-৫০-১০০ টাকা। বলা যেতে পারে প্রাথমিকভাবে ই-বুকের দাম অত্যধিক বেশি রাখলে আপনার বই কেউ কিনবে না। 

ধরা যাক আপনি খুব সুন্দর গ্রাফিক ডিজাইন করতে পারেন। সেই ডিজাইনগুলি আপনি অনলাইনে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। এক দুজনের চোখে পড়লে বা কিনলে, তাকে অনুরোধ করুন আপনার ডিজাইনের উপর ইতিবাচক কিছু রিভিউ দিতে। ধীরে ধীরে আপনার কাস্টমার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আপনি উন্নতি করতে পারবেন।

আপনি নিজে মিউজিক তৈরি করতে পারেন অথবা ভিডিও তৈরি করতে পারেন। ছোট গল্প নিয়েও ডকুমেন্টারি তৈরি করতে পারেন। আপনার এই অনন্য অসাধারণ দক্ষতা অন্যদের নজর কাড়বেই।

অথবা কোন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। ব্লগ তৈরি করতে পারেন। ই-বুকের কভার পেজ তৈরি করতে পারেন। এসবই অনন্য দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। আপনি ফটোগ্রাফি জানেন। ভালো ছবি তুলতে পারেন। ভালো এডিট করতে পারেন। ভিডিও এডিট করতে পারেন। এভাবে ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে। সবগুলোই আপনার রোজগারেরর সীমাবদ্ধ থাকে অসীমতায় পৌঁছে দেবে।

  • কনটেন্ট তৈরির কাজ-

কন্টেন্ট বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। যেমন linkedin, instagram, twitter ইউটিউব। আপনি যদি কন্টেন্ট তৈরি করার দক্ষতা অর্জন করেন বা আগে থেকেই সে দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে আপনার কাছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা রোজগার কোনো ব্যাপার নয়। লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগারের রাস্তা খুলে যাবে। youtube এবং ফেসবুক হচ্ছে এই ধরনের বিভিন্ন রোজগার করার এক প্রাথমিক এবং একটি সহজ উপায়।

কনটেন্ট এর মাধ্যমে আপনি ব্র্যান্ডেড কোম্পানিকে এলাও করতে পারেন আপনার কনটেন্টে স্পন্সরশিপ দেওয়ার জন্য। এর থেকে যে রোজগার কোন সীমায় পৌঁছে যায় বলা খুবই মুশকিল।

  • অ্যাপস তৈরি-

ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। আপনাকে অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, whatsapp ইত্যাদির মত বড় বড় অ্যাপ তৈরি কথা বলা হচ্ছে না। নিত্য জীবনে আমাদের কিছু সমস্যা থাকে। সেই সমস্যা গুলো ঠিক দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা অনেকে অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি। যেমন ধরুন ক্যালকুলেটর। ঘরে বসে আয় করার উপায় হিসাবে এই ধরনের ছোট ছোট অ্যাপ তৈরি করা অতি সহজ ব্যাপার।

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

বয়স্ক মানুষদের জন্য আপনি এমন একটি অ্যাপ তৈরি করলেন যে, সকালে কটার সময় তারা ওষুধ খাবে, দুপুরে কটার সময় খাবে এবং রাত্রে কটার সময় খাবে। মূলত তাদের ওষুধ খাওয়ার সময়টা মনে করিয়ে দেওয়ার একটা ছোট্ট অ্যাপ। যে অ্যাপ নোটিফিকেশন অথবা বেলের মাধ্যমে তাদেরকে সজাগ করে দেবে। অথবা বলা যেতে পারে যে, ব্যক্তি সারাদিনে জল খাওয়া দরকার এবং কখন কখন খাবে সেই অ্যাপসের মাধ্যমে থাকে মনে করিয়ে দেবে।

Microacquire.com আপনারা নাম শুনে থাকবেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে আপনার তৈরি করা অ্যাপ গুলো এই ধরনের সাইটে লিস্ট করবেন। যদি কোন কোম্পানির নজরে আসে, তাহলে সেটা সেই কোম্পানি কিনে নিতে পারে।

  • ওয়েবসাইট তৈরি-

ওয়েবসাইট তৈরি এখন অতি সহজ ব্যাপার। আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরি করার দক্ষতা অর্জন করেন অল্প সময়ের মধ্যে। তাহলে যে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানি অথবা কোন স্টোরের জন্য, দোকানের জন্য আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে পারেন। কোন ওষুধ দোকানের জন্য, কোন ডাক্তারের জন্য, ডিসপেন্সারের জন্য, কোন স্টুডেন্টদের জন্য।

ওয়েবসাইট তৈরির বিভিন্ন ধরনের প্লাটফর্ম রয়েছে। বহুল চর্চিত এই ধরনের একটি প্ল্যাটফর্ম হল ওয়ার্ডপ্রেস। এই প্লাটফর্মে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য আপনার কোডিংয়ের কোনো দক্ষ্তা লাগবে না। অতি সহজে, নিমেষে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে আপনি শিখে দিতে পারেন এবং ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০ ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে। ১৫-২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রোজগার করতে পারেন।

আপনি নিজের জন্য একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন‌। সেখানে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট লিখে, ব্লগ লিখে আপনার রোজগারের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। এ সমস্ত ওয়েবসাইটে এড চালানো যেতে পারে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যেতে পারে, কোন কোম্পানির স্পন্সরশিপ চালানো যেতে পারে। ব্লগের মাধ্যমে অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রোজকারের পথ এত প্রশস্ত যে, আপনার কল্পনাতেও আসবে না।

Related Post- অতি সহজেই বাড়িতে বসে মেয়েদের কাজ

উপসংহার

উপরিউক্ত কাজগুলি যতটা সহজ হলো মনে হচ্ছে ততটা নয়। সমস্ত কাজগুলি দক্ষতা এবং নিষ্ঠার উপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট সময় ধরে অতি নিষ্ঠার সঙ্গে এবং মনোযোগ দিয়ে কাজ শিখে, পরবর্তী ক্ষেত্রে কাজগুলো করে তবে সফল হওয়া যায়। নতুবা সময়ের অপব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে একটি কাজকে ধরে নিয়ে এগিয়ে গেলে অসফল হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এই ব্লগটি সম্পর্কে আপনার মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

Leave a Comment