Subsidy on Fertilizer

140% Subsidy on Fertilizer in 21-22 in Bengali | কৃষকের পক্ষে সুখবর | রাসায়নিক সারে 140% ভর্তুকি |

কেন্দ্রীয় সরকার চাষীদের জন্য রাসায়নিক সারে 140 শতাংশ ভর্তুকি(140% Subsidy on Fertilizer) দিয়ে কৃষকদের সরকারের প্রতি আস্থা ফেরানোর চেষ্টা করলো। আন্তর্জাতিক বাজারে ফসফরিক অ্যাসিড এবং অ্যামোনিয়ার দাম বৃদ্ধির ফলে DAP এর দাম বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়ে পড়েছিল। যেটা কৃষকদের ওপর ভীষণভবে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সাবসিডি সিদ্ধান্ত।

কয়েক মাস আগে কৃষক বিল পাস হয়েছে। তা কতটা কৃষকদের সুফল হবে তা নিয়ে অনেক চাপানউতোর চলছিল। ফলস্বরূপ দেশব্যাপী কৃষকদের মনে বিরূপ প্রভাব ও দিল্লিতে তার বহিঃপ্রকাশ। আন্দোলনের সূচনা। দীর্ঘ কর্মসূচি যা সারা দেশ লক্ষ্য করেছে। এই কৃষক আন্দোলনের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে পড়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

সে যাইহোক কেন্দ্রীয় সরকার যে রাসায়নিকের দাম বৃদ্ধির ফলে সারের দাম বৃদ্ধি হবে এবং তা পুনরায় কৃষকদের মধ্যে বিপরীত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে, এ নিয়ে অবগত। তাই সাবসিডি সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হয়।

140% Subsidy on Fertilizer-

গত আর্থিক বছরে ব্যাগ প্রতি দাম ছিল 1700 টাকা। সাবসিডি ছিল 500 টাকা। কৃষকরা প্রতি ব্যাগ 1200 টাকা দাম দিয়ে ডিএপি কিনত। এবছর 60 থেকে 70 শতাংশ দাম বৃদ্ধির ফলে বিক্রয় মূল্য 2400 টাকা হয়েছে। 500 টাকা ভর্তুকি দিলে বিক্রয়মূল্য হয় 1900 টাকা। কিন্তু সরকারি সূত্রের খবর কৃষকরা পুরনো রেটেই অর্থাৎ বারোশো টাকাতেই সার কিনবে। সুতরাং এখানে সাবসিডি হলো প্রায় 700 টাকা। দেখা যাচ্ছে সাবসিডি প্রায় 140 শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Subsidy এর জন্য 80000 কোটি টাকা বরাদ্দ-

এর জন্য সরকার 80 হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেমিক্যাল ফার্টিলাইজার কেনার জন্য। অতিরিক্ত আরো 14775 কোটি টাকা খারিফ শস্যের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এখন দেখা যাক কৃষকদের কোন উপকার হয় কিনা। সেটা ভবিষ্যত বলবে।

বর্ষা ভালো হলে সাবসিডি সুফল ফলতে পারে। অথবা খরচ হবে দুপক্ষেরই- সরকারের এবং কৃষকের। ফলন না হলে উভয়েরই লোকসান। যা পরবর্তীকালে সকলের উপরই বর্তাবে বলে আশঙ্কা। এর ফলাফল ভবিষ্যতের উপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

Subsidy এর সুফল-

কৃষককে সাবসিডি দিলে কৃষকের প্রকৃতপক্ষে কম খরচ হবে। সুতরাং এসব কম উৎপাদন মূল্যে ফলন ফলাতে পারবেন আশা করা যায়। কিছুটা হলেও ফসলের দাম কমবে। যে পরিমাণ টাকা কৃষক সারের জন্য কম খরচ করবে, তা সে অন্যান্য গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করার সুবিধা পেতে পারে।

ভারত কৃষিপ্রধান দেশ। সুতরাং জনগনের ভালো-মন্দ বিশেষ করে কৃষকের ওপর উৎপাদন মূল্য বা অন্যান্য সামগ্রী অর্থাৎ কৃষিজ ফসল উৎপাদনের জন্য দ্রব্যের উপর দাম চাপানোর অর্থেই কৃষককে সরাসরি আর্থিকভাবে দুর্বল করা। যার প্রভাব কৃষিজ উৎপাদন কার্যের প্রতি উদাসীন থাকবে, অনীহা প্রকাশ করবে। ফলে উৎপাদন সামগ্ৰীর আমদানির ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। বিরাট আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা। সাবসিটি সিদ্ধান্তকে অনেকে সদর্থক ভাবে নেবেন বলে আশা করা যায়।

সাবসিটি সদ্ব্যবহার প্রয়োজন-

ফার্টিলাইজার সাবসিডি সদ্ব্যবহার না হলে সমূহ বিপদ। একদিকে সরকারের 80 হাজার কোটি টাকার সাবসিটি বরাদ্দ, অন্যদিকে কৃষক কম দামে ফার্টিলাইজার কিনে তার ব্যবহার না হলে, বিশেষ করে খারাপ বর্ষার কারণে ফলন আশানুরূপ না হলে ভবিষ্যতে সকলেই ক্ষতির মুখে পড়বে। এক- কৃষক নিজে কিছু নগদ আর্থিক খরচ করবে। সেটাও হয়তো গচ্ছিত অর্থ থেকে অথবা মহাজনের কাছে ঋণ নিয়ে। অন্যদিকে সরকার যে টাকা ভর্তুকি দেবে সেটা কোন না কোন স্থান থেকে তোলার চেষ্টা করবে। ফলে অন্যান্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি অস্বাভাবিক কিছু নয।

যাই হোক আমরা আশাবাদীী। ভালো কিছু দেখার অপেক্ষায় বিশেষ করে কৃষকরা যাতে কোন সমস্যার সম্মুখীন না হন, দেশের করোণা পরিস্থিতিতে এমনিতেই সাধারণ থেকে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সকলকে এক আতঙ্কের দিকে ঠেলে দিয়েছে। শুধু আতঙ্ক নয়, আর্থিকভাবেও দেশ আজ সংকটের মধ্যে অবস্থান করছে।

Other wring- Best Result of Election

অক্ষয় তৃতীয়ার চমক-

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় কৃষক বিল পাস হবার পর কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো ছিল সরকারের এক বড় পদক্ষেপ। টাকা পাঠানো হয়েছিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন। এরজন্য সরকারের খরচ হয়েছে প্রায় 20667 কোটি টাকা।

সারা দেশে এখনো অনেক কৃষক এই টাকা পাবেন। ধীরে ধীরে বরাদ্দ বৃদ্ধির দিকে নজর রয়েছে আপামর কৃষকেরা।

আমরা গতবছর দেখেছি লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে 2000000 কোটির প্যাকেজের ঘোষনায়। কে কত টাকা ঋণ পেল তার কোন খবর আমাদের কাছে আছে কি? কি সেই প্রকল্প- তা নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর চার পাঁচ দিন ধরে ব্যাখ্যা সংবাদমাধ্যমের কাছে। 4-5 দিনের ব্যাখ্যা আমাদের কাছে খুবই আশ্চর্যের লেগেছিল। একটা প্যাকেজ ঘোষণা এবং সেটার মধ্যে এত জটিলতা, সেটা ব্যাখ্যা করতেই অর্থমন্ত্রী চার-পাঁচ দিন লেগেছিল। সাধারণ জনগণ এত জটিল কোনো প্যাকেজ চাইছিল কি? সাধারণ একটু সুযোগ সুবিধা যেটা পাওয়ার জন্য সাধারন মানুষ উৎসুক হয়ে তাকিয়ে থাকে সরকারের দিকে। তার ভেতর এত শাখা-প্রশাখা তৈরি।

আশায় বাঁচে চাষা-

আমরা আশা করব বর্ষা ভালো হোক কৃষকের অধিকার অর্জন অর্জিত হোক সারের দাম নিয়ন্ত্রিত থাকুক সাবসিডি সদ্ব্যবহার হোক সাবসিডি কৃষক সরাসরি পাক মধ্যস্থতাকারী পড়ে ব্যবসায়ীরা যাতে তাদের আখের গোছাতে না পারে সরকার সেদিকে নজর দিক।

pmehatory

Hi I am Prabhat, Prabhat Mehatory. I am PG, interested in Technology and Blogging. Like to read and inspired from there try to write something whatever I gathered from learning and experiences.

View all posts by pmehatory →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *