Result of election-2021

What should be the Best Result of election-2021 West Bengal after Real Result | পশ্চিমবঙ্গের ভোটের রেজাল্ট ও মানুষের মঙ্গল।

পশ্চিমবঙ্গে 2021 ভোটের ফলাফল(Result of Election-2021 West bengal) কেমন হওয়া উচিত এ প্রসঙ্গে কয়েকটি কথা বলতে ইচ্ছা করছে। সরাসরি রাজনীতির সাথে যুক্ত মানুষজন 2021 ভোটের ফলাফল(Result of Election-2021) বলতে কেবল তাদের নিজের দল বা দলীয় সমর্থক হিসেবে নির্দিষ্ট সেই দলের জেতার ফলাফল নিয়েই কথা বলবে। তাদের দল কিভাবে জিতবে বা তাদের দল সরকার গঠন করবে কি’না এ ভাবনাই প্রাধান্য পায়। সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বলে তারা বিশ্বাস করে অথবা তারা সেই বিশ্বাস অন্যান্য মানুষজনকে করাতে চায়। এই সাধারণ ধারণা অমূলক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে না।

তবে আমারও 2021 ভোটের ফলাফল(Result of Election-2021) আমজনতার মত অতি সাধারণ কিছু আশা করি। কোন পার্টির অন্ধ ভক্ত হয়ে কথা বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্যে বসবাস করছি। কিছু সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি। আবার অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমার মত বা আমার থেকে সচ্ছল আর্থিক ভাবে সবল অথবা আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষ ও তার পরিবার গুলো সকল সুযোগ সুবিধা পান কি’না- এটা নিয়েও প্রশ্ন করা যায়। যে মানুষজন যে যে আর্থিক কাঠামোর মধ্যে জীবন যাপন করছেন, সেখান থেকে উন্নত আর্থিক স্বচ্ছলতা ও উন্নত জীবনযাপন প্রণালীতে যেতে চায়। মানুষের এই সহজাত প্রবৃত্তি সামাজিক সচলতা(Social mobility) বলে অনেকে ব্যাখ্যা করেন।  সে যাই হোক সুখ-শান্তি সমাহারে মানুষের জীবন যাপনের সাধারণ মানুষের আরেক প্রবৃত্তি।

Result of election-2021 West Bengal LA:-

দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন:-

Result of Election-2021 এমন হোক যেন প্রতিটি মানুষ সম্মানের সঙ্গে দুবেলা-দুমুঠো খাবার পায়। অন্যের উচ্ছিষ্ট, দান করা, ভিক্ষা দেওয়া খাবার নয়। প্রতিটি মানুষ রোজগার করুক,  কাজ করুক। সেই পারিশ্রমিক তার খাবার জোগাড় করুক অবিরত। মাঠের শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক অথবা যা কিছু কাজ। সম্মানিত আর্থিক উপার্জন হোক প্রতিটি মানুষের।

ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হোক-

শৈশব কৈশোর থেকে শুরু করে বার্ধক্য ভিক্ষাবৃত্তির সজল চাহনি বন্ধ হোক নিমেষেই। নদীতে কত জল গড়ায় রঙের খেলা হয়। বয়ে যায় সেই নগ্ন এক সকরুন পেশা। সাধারণ জনসমাজ যেটাকে ঘৃণ্য বলেই বর্ণনা করে।

বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশনে সেই রুক্ষ চুলে জট পড়া কৈশোর হাত পাতে তোমার আমার কোলের কাছে। মাঝে মাঝে করুণা হয়‌। মাঝে মাঝে ঘৃনাও হয়। তবুও ছলছল চোখে চেয়ে থাকে অবিচল। পেট বড় বালায়- খাবার চায়।

এদের কেউ বলে- দূর হ। কেউ বলে- আহা বেচারা।

পথের শেষ কোথায়? জানা নেই কারো।

2021 ভোটের রেজাল্ট(Result of Election-2021)বের হবে। এ দৃশ্য কখনো কমবে কি? জানিনা ভরসা পাই কোথা থেকে? অতীত তো তাই বলে। রঙের খেলায় নদীর জল রক্তে ভেসে যায়।

বস্তিগুলো স্বস্তি পাক-

ভোটের রেজাল্ট (Result of Election-2021) আসে। ভোটের রেজাল্ট যায়। গোষ্ঠীগুলো থেকেই যায় অসস্তিতে। জলেরলাইন থেকে টয়লেটের লাইন, সেখান থেকে রেশন ভূষণ সবই চলে গায়ের জোরে পেটের দায়ে। চিরকালীন অভ্যস্ত জীবনের শৈলী হার মানতে চায় না। মা-বাবা ছেলেমেয়ে বউ বড়ই দায়, দায়িত্ব, কর্তব্য। অস্তিত্বের জন্য প্রতিবেশী বাদানুবাদ, ঝগড়া মারামারি কার দায় কার ঘাড়ে যায়।

ভোটের ঠিক আগেই প্রার্থী পার্টি নেতা হাতে ধরে পায়ে ধরে অনুনয় আগে ছিল। এখন আর নেই। এখন হাতে দা, পিস্তল, বোমা। মিটিংয়ে যাবি চল। ভোট দিবি অথবা তোর ভোট হয়ে গেছে।

 কখনো বা বেড়ালের মত নেতারা বস্তিবাসীর হাতে-পায়ে ধরে নাটক করে না তা-ও নয়।  কিন্তু ভোটের রেজাল্ট-এর পর সব হাওয়া। দূরবীনে নজরে আসে না। এ ভোটের রেজাল্ট(Result of Election-2021) আর দেখতে চাই না।

ভোটের রেজাল্ট(Result of Election-2021) এমন দৃশ্য তুমি ডিলিট করো ইরেজ করো। এর স্থানে নতুন ছবি আঁকো। প্রতি বস্তিবাসী দুধভাতে না হোক, অন্তত ডাল ভাত, প্রেম-ভালোবাসা প্রীতি স্নেহ বন্ধুত্বের চাদরে আচ্ছাদিত থাকুক।

স্কুল গুলো সব বেঁচে উঠুক-

এখন না হয় করোনা আবহাওয়া। আশা করি এই আবহাওয়া কিছুদিনের মধ্যে পরিবর্তন হবে। আবার নির্দ্বিধায় মানুষ রাস্তাঘাটে বাজারে ট্রামে বাসে চলাচল করবে। স্কুলগুলো খুলবে। 

কিন্তু সরকারি স্কুলগুলি তে জ্বড়ত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাতে তো নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা ছাড়া কারো দেখা পাওয়া যাবে না। অবশ্য এখনও নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের ই দেখা পাওয়া যায়। ভরসা উঠে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি। শুধু তীর নিক্ষেপ শিক্ষকদের দিকে। কিন্তু শুধু কি একটি গোষ্ঠী দায়ী? কেবলই কি তাদের দোষ?

পুরো সিস্টেম যেখানে মরচে পড়ে অচল হয়ে আছে সেখানে একটি গোষ্ঠীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো কতটা যুক্তিযুক্ত?

ভোটের ফলাফল (Result of Election-2021) এমন হোক যেখানে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত সকল শ্রেণীর মানুষের আস্থা ফিরে আসে। সকল গোষ্ঠী সকল অর্থনৈতিক স্তরের পরিবারের ছেলেমেয়েরা আবার সরকারি স্কুলের একটি বেঞ্চে গিয়ে বসুক। 2021 ভোটের ফলাফল এমন হোক যাতে শিক্ষক মহাশযরা নিজের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পড়ানো মানসিকতা তৈরি করে।

পুলিশসহ অন্যান্য সকলের তোলাবাজি বন্ধ হোক-

যেখানে সরকারি পুলিশদের যানবাহনের কাছ থেকে তোলা আদায় করে সেখানে সাধারণ গুন্ডা বাজি খুবই সাধারণ ঘটনা। পুলিশের গুন্ডা বাজি দমন করা, আবার রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওভারলোড গাড়িতে কেস না দিয়ে তোলা আদায় করা অথবা অন্যকিছু অপরাধ না থাকলেও জুলুমবাজি করে টাকা আদায় সাধারণ অথচ অন্যায় ঘটনাগুলো বন্ধ হোক এবারের ভোটের রেজাল্টে(Result of Election-2021)।

করোনা আবহে লকডাউনে দূর-দূরান্তের শ্রমিকরা বাড়ী ফেরার তাগিদে লরি হোক ভ্যান হোক অথবা যেকোন যানবাহন- সে যারপরনাই তাগিদ নিয়ে বাড়ি ফিরছে। পুলিশ পেল সুযোগ। কোনো সহানুভূতি নয়- দমাদম লাঠিপেটা। কোন করুণা নয়, কোন সমবেদনার নয়,  নিদারুণ আক্রমণ, অত্যাচার- বন্ধ হবে এবারের ভোটের ফলাফলে(Result of Election-2021)।

পুলিশ হোক বন্ধু স্বজন। মানুষ কথা বলুক প্রাণখুলে। অভাব অভিযোগ জানাক স্বতঃস্ফূর্তভাবে। পুলিশ জনমত নির্বিশেষে অভিযোগ নথিভুক্ত করুন। নিঃস্ব বিত্তবান ভেদাভেদ ভুলে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক। অপরাধী বিত্তবান বা মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত সকলের জন্য এক আইন প্রযুক্ত হোক। এবার নির্বাচনী ফলাফলে(Result of Election-2021) দেখা যাক সেই অভূতপূর্ব আলোর রোশনাই।

যানবাহনে রাস্তা হোক সবুজ-

মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুলেন্স সবুজসংকেত প্রতিটি রাস্তায় ক্রসিংয়ে। নেতা-মন্ত্রীদের বা কোন ভিআইপি হোন না কেন তার জন্য মুমূর্ষু রোগী তো নয়ই এমনকি সাধারণ মানুষ যেন বিড়ম্বনায় না পরেন। এবারের নির্বাচনী ফলাফল(Result of Election-2021) যেন এরকম এক সাধারন আশার আলো জ্বলুক।

ভোটের সময় যে প্রার্থী নিঃস্ব লোকের হাতে পায়ে ধরে ভোট ভিক্ষা চেয়ে এসেছিল, আজ তাকেই সে না চেনার অভিনয়ে বিদ্রুপ করে, বঞ্চিত করে তার অধিকারে। নির্বাচনী ফলাফল(Result of Election-2021) ফিরিয়ে দিক তার কাঙ্খিত ছোট্ট অতি সাধারন চাহিদাকে।

পরীক্ষার্থী, চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া যুবক-যুবতী ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়েছে। মন্ত্রীর গাড়ির জন্য তারা যেন সহজেই কোন অনুনয় না করেই নির্দ্বিধায় যাক তার গন্তব্যে। এবারের নির্বাচনী ফলাফল(Result of Election-2021) এ ছোট আশা বাস্তবায়িত হোক।

যোগ্যরা চাকরি পাক-

কতশত শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীরা অপেক্ষায় বসে আছে একটা চাকরির আশায়। আম বাঙালির একটাই আশা শিক্ষা শেষে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষে একটা চাকরি। মূলত একটি সরকারি চাকরি। পেয়েছে অনেক কিন্তু পাইনি তার তুলনায় অনেক বেশি। যোগ্যরাও পেয়েছে। আবার অযোগ্যের  সংখ্যাও কম নয়। ‘ঘুষ’ হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে যোগ্য অযোগ্যের বিচার নয়। যোগ্যদেরওবাধ্য করে ঘুষ দিতে। আর অযোগ্যদের তো কথাই নেই।

গত দশ বছরে প্রাইমারি থেকে শুরু করে কত সেক্টরে যে ঘুষ নিয়ে চাকরি হয়েছে তার হিসাব রাখাটা সম্ভব নয়। এ এমন এক পদ্ধতি যেখানে সবই দেখা যায়, বোঝা যায়, কিন্তু রেকর্ড রাখা যায়না। প্রমাণ সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে দুই একটি ব্যতিক্রম ছাড়া অপরাধী ধরা পড়ে না। তাই শাস্তিও নেই।

ভোটের রেজাল্ট(Result of Election-2021) এমন হোক সব চাকরি যোগ্যরাই পাক। আর ‘ঘুষ’ শব্দটা অভিধান থেকে উঠে যাক। অতএব এ পাপীষ্ঠ পদ্ধতিটারও অবলুপ্তি হোক।

স্বচ্ছ হোক সরকারি প্রকল্প-

বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে ওঠে পাইয়ে দেওয়া নীতি। এবং সেখান থেকে উপরি পাওনা আদায়। যেমন- PMAY প্রকল্প। কিছু কিছু নাম সুপারিশের মাধ্যমে পাঠানো হয়। সত্যি সে প্রাপক কি’না তার কোন প্যারামিটার দেখা হয় না। বিশেষ করে PMAY প্রকল্পের আওতায় তারা আসছে পার্টি থেকে তাদের বাধ্য করা হয় পার্টি ফান্ডে টাকা দিতে।

আবার 100 দিনের কাজের প্রকল্পে কাজ হোক  চায় না হোক শ্রমিকদের একাউন্টে টাকা ঢোকে। কিন্তু সেই টাকার কিছু অংশ পার্টি কর্মীরা আদায় করে চাঁদা স্বরূপ।

আবার টেন্ডার পাস করানোর জন্য টাকা। টেন্ডার পাওয়ার পর টাকা। একটা অস্বচ্ছ লাগামহীন করাপশন চলছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয় সারা দেশে।

ভোটের রেজাল্ট(Result of Election-2021) এর পর অবসান হোক এই সমস্ত কুপ্রথার। স্বচ্ছতা আসুক প্রকল্প রূপায়ণে।

আমলাতন্ত্রের সরলীকরণ-

 সংসদীয় গণতন্ত্রের মুখ্য বৈশিষ্ট্য আমলাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। অর্থাৎ সরকারি স্থায়ী কর্মী মাধ্যমে কার্য রূপায়ণ। সরকারি কর্মী যারা আমলা নামে পরিচিত একমাত্র ভোট ব্যবস্থার সময়ই তাদের তৎপরতা দেখা যায়। বাকি অন্যান্য কাজকর্মে এত ধীর, গদাইলস্করি চালে চলে কাজকর্ম। পেনশন পাস- সে এক দুরূহ ব্যাপার। পেনশন প্রাপকের অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যায়। অথচ তার পেনশন চালু হয় না।

বেকার যুবক অতি দরকারি কোন সার্টিফিকেট প্রয়োজন। দশবার যাওয়ার পর হয়তো মিলবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স কবে হবে জানা নেই। এরকম অনেক উদাহরণ আছে।

এর মধ্যে আছে তৎপরতার জন্য বাঁ হাতের ব্যাপার। অর্থাৎ আপনার কাজ তাড়াতাড়ি হবে যদি তাকে উৎকোচে পুষিয়ে দেন তবেই। অন্যান্যদের কাজ পড়ে থাকবে। আপনি যদি তাকে পোষাতে পারেন, আজ কাগজপত্র জমা দিলে কালই আপনার কাজ অনেকটাই হয়ে যাবে। অবসান হোক এমন আমলাতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির এই ভোটের ফলাফলে(Result of Election-2021)।

পারস্পরিক অবিশ্বাস লুপ্ত হোক-

আমরা সকলেই সকলকে আজকাল অবিশ্বাসের চোখে তাকাই। গণহারে ঘুষ দিয়ে চাকরি পাচ্ছে, করছেও। গণহারে কোন সমস্যা সমাধানে ঘুষের ছড়াছড়ি। এরই মাঝে স্বচ্ছ নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে কোন চাকরি বা কর্ম উদ্ধার করলেও সকলের মনে সন্দেহ, প্রশ্ন- এও ঘুষ দিয়ে কার্য সমাধান করেছে অথবা এই সেই, যে ঘুষ দিয়ে চাকরি করছে। যোগ্য যুবক-যুবতীরাও অযোগ্য ঘুষ প্রদানকারী দলের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয় ঘৃণ্য সিস্টেমের জন্য। আমরা তাকে সন্দেহের চোখে দেখি আর সেও সহজে মাথা উঁচু করে পথ চলতে পারে না। সে অপরাধবোধে ভোগি। মানসিক অবসাদ গ্রাস করে কখনো কখনো।

এ অবিশ্বাস বন্ধ হোক এ ভোটের ফলাফলে(Result of Election-2021)। পরস্পরের দিকে তাকাই এক স্বচ্ছ বিশ্বাস নিয়ে। দৃঢ় হোক পারস্পরিক বিশ্বাস, আশ্বাস, শ্রদ্ধা, সম্মান।

আরো কিছু বৃথা আশা-

শুধু সরকার নয়। শুধু আমলখ নয়। মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন আমজনতারও। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান শ্রদ্ধা নেই। যে কোন কাজ সম্পাদনের জন্য আমরাও কিন্তু ভেবে নিয়েছি ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না। অতএব প্রথমেই ঘুষের জন্য লোক খুঁজে বেড়াই। কাকে দেবো? কাকে দিলে কাজটা উদ্ধার হবে। অর্থাৎ আমরা পাশের লোককে ল্যাঙ মেরে আগে কাজ উদ্ধার বা চাকরি বা অন্যান্য কোন কিছু উৎরানোর জন্য ঘুষের পসরা নিয়ে হাজির হয় সেই দ্বারে।

নেই কোনো একতা, নেই কোনো সহানুভূতি, নেই স্বচ্ছতার প্রকাশ। অবসান হোক ঘৃণ্য নিম্ন মানসিকতা এই ভোটের ফলাফলে(Result of Election-2021)।

উপসংহার-

সামাজিক, আর্থিক, ধর্মীয় আরো অনেক বিষয় যা আমাদের জীবনযাপন প্রণালীকে নিয়ন্ত্রণ করে তা হল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিভিন্ন দলের নেতারা বলেন তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ অন্যদের তুলনায় অতি উত্তম। কিন্তু দেখা যায় মূলত রংগুলি আলাদা। কর্মসম্পাদনের একই পন্থা অবলম্বন করে। যে দল বিদায় নেয় আর যে দল আসে মানুষ বলে আগেরদল ভালো ছিল। ওদের মতাদর্শ ভালই ছিল। কিন্তু দেখা যায়, যে দল আসে, বিধায়ী দলের শেষ যেখানে, সেখান থেকে শুরু করে সর্বনাশের গভীরতর গহ্বরের দিকে। আগামী দিনে যারা আসবে তারাও কিন্তু তাদের সূচনা বিদায়ী দলের শেষ থেকেই শুরু করবে। মানুষ তখন উপসংহারে বলবে- আগের দলই ভালো ছিল।

এক অতি সাধারণ নিম্ন মানের মূল্যায়ন। আমাদের এই মূল্যায়ন কিন্তু এই চিরাচরিত রাজনৈতিক পদ্ধতি থেকেই বেরিয়ে এসেছে। দূর হোক কালো সবই। আশার উজ্জ্বল আলো জ্বলুক এই আশু ভোটের ফলাফলে(Result of Election-2021)।

 ধন্যবাদ।

আরো পড়ুন-

২০২১ পরিবেশ দিবস-এর থিম।

মাতৃ দিবসের ভিন্নধর্মী সত্তা।

pmehatory

Hi I am Prabhat, Prabhat Mehatory. I am PG, interested in Technology and Blogging. Like to read and inspired from there try to write something whatever I gathered from learning and experiences.

View all posts by pmehatory →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *